তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই বাংলাদেশের কাছে সিরিজ খুইয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে শেষ ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে ১ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে সফরকারীরা।
রোববার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। তবে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে টানা দুই উইকেট নিয়ে দলকে ম্যাচে ফেরান পেসার শরিফুল ইসলাম। পরে তাসকিন আহমেদের আঘাতে ৭০ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অজিরা।
সেখান থেকে ইনিংস গড়ে তোলেন ওপেনার কুপার কনলি। মারনাস লাবুশানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৬৪ রান এবং ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৬৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। এরপর ওলিভার পিকের সঙ্গে আরও ৬৪ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
১৩১ বলে ১৪৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল একাধিক চার ও ছয়ের মার। এক পর্যায়ে ৫ উইকেটে ২৬৬ রান তুলে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা তৈরি করেন শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান। মাত্র ৯ রান দরকার থাকতেই চার উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। ১৪৯ রানে কনলিকে ফিরিয়ে দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফারের পর ষষ্ঠ উইকেটও তুলে নেন শরিফুল।
ম্যাচ তখন বাংলাদেশের দিকে হেলে পড়লেও অ্যাডাম জাম্পার অপরাজিত ৪ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ভর করে ৩ বল হাতে রেখেই ১ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে তাওহিদ হৃদয়ের ৮৩ রানের ইনিংস এবং মোসাদ্দেক হোসেন ও লিটন দাসের অপরাজিত যথাক্রমে ৫৬ ও ৫৮ রানে ভর করে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ম্যাট রেনশ ও জাভিয়ের বার্টলেট দুটি করে উইকেট নেন, আর একটি উইকেট শিকার করেন বেন ডোয়ারসুইশ।
সিরিজের শেষ ম্যাচে জয় পেলেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

