Blog

  • দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই –  সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

    দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই –  সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

     

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন সময়ে জনগণের প্রত্যাশা ও অনুভূতির বিপরীতে অবস্থান নেওয়ার নজির থাকলেও বিএনপি সবসময় জনগণের সেন্টিমেন্ট ধারণ করে পথ চলেছে।
    তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের আস্থা ও সমর্থন নিয়েই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।

    আজ রবিবার সন্ধ্যায় সাভারস্থ বিসিএস লাইভস্টক একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৪৪তম বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডার কর্মকর্তাদের “৫ দিনব্যাপী অবহিতকরণ কোর্স”-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কখনোই দেশের মানুষের অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষার বিপক্ষে অবস্থান নেয়নি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও অধিকারভিত্তিক আন্দোলনে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবসহ মানুষের অধিকার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংঘটিত আন্দোলনগুলোতেও বিএনপির ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান। ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের গণআন্দোলনেও বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পকারখানার বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় দেশের নদ-নদী দূষিত হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এ প্রেক্ষাপটে কৃষিভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন গড়ে তুলতে পারলে একদিকে যেমন অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে পরিবেশগত ভারসাম্যও রক্ষা পাবে। তাই কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি সমৃদ্ধ হলেই দেশ হবে উন্নত।

    নবনিযুক্ত ক্যাডার কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা রাষ্ট্রের কর্মকর্তা। কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়—রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষাই আপনাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি কর্মকর্তাদের উপজেলাসহ মাঠপর্যায়ে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ প্রশিক্ষণার্থীরা এসময় উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন।

     

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ফেনীর দুই শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ফেনীর দুই শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

     

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ফেনী জেলা শিশু একাডেমির আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, ফেনী’র দুই শিক্ষার্থী কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

    শনিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ ও উন্নয়ন) ফাহমিদা হক। এসময় ফেনী জেলা শিশু একাডেমীর আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ক বিভাগে (১ম থেকে ৩য়) দ্বিতীয় স্থান অর্জনকরী মুনিসা রিথীমা ও গ বিভাগে (৭ম থেকে ১০) দ্বিতীয় স্থান অর্জনকরী সম্পূর্ণা সাহার হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।

    এরআগে জেলা পরিষদ সেলিম আল দীন মিলনায়তনে শিশু একাডেমির আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, ফেনী’র শিক্ষার্থী মুনিসা রিথীমা কবি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ‘আমাদের এই বাংলাদেশ’ ও শিক্ষার্থী সম্পূর্ণা সাহা কবি আবদুল গাফফার চৌধুরীর ‘একুশের গান’ কবিতা আবৃত্তি করে বিচারকদের মুগ্ধ করে মেধাস্থান অর্জন করেন।

    সম্পূর্ণা সাহা বলেন, ‘আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মিলন স্যার ও শামীম স্যারের কাছে আমি আবৃত্তি শিখছি। স্যারদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজ আমি এ পর্যন্ত এসেছি। ভবিষ্যতে আমি আরো ভালো করতে চাই। ‘

    আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, ফেনী’র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নাজমুল হক শামীম বলেন, ‘১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি চলতি বছর ৩২ বছরে পা দিয়েছে। সংগঠনটি বর্তমানে নিয়মিত ও অনিয়মিত সদস্য মিলিয়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সম্পূর্ণা ও মুনিসাকে শিক্ষকরা ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দেয়ায় তারা এমন কৃতিত্ব অর্জন করেছে। ইতিপূর্বে সম্পূর্ণ সাহা বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগীতায় আঞ্চলিক পর্বে আবৃত্তিতে ইয়েস কার্ড পেয়েছিলেন। সম্পূর্ণা ও মুনিসা দুজনই বিগত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছিল।’

    পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা কালচারাল অফিসার, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

    রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

     

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

    মন্ত্রী আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী)  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, আইন ও বিচার বিভাগে স্বাধীনতার চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। দেশে প্রকৃত অর্থে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এর কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্র পরিচালনায় সব ক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে না রেখে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। এতে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বাড়বে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।

    গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইব্রাহীম মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

     

  • দাগনভূঁইয়া থানা থেকে লুট হওয়া শটগানের কার্তুজ উদ্ধার

    দাগনভূঁইয়া থানা থেকে লুট হওয়া শটগানের কার্তুজ উদ্ধার

     

    ফেনী প্রতিনিধি।

    ফেনীর দাগনভূঞা থানার ভেতরের পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুকুরটিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালানোর পর এই কার্তুজগুলো পাওয়া যায়।

    ধারণা করা হচ্ছে, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া সরঞ্জামের অংশ ছিল এগুলো।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানার মতো দাগনভূঞা থানাতেও হামলা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশের বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ খোয়া যায়। দীর্ঘদিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, খোয়া যাওয়া কিছু সরঞ্জাম থানার পুকুরেই থাকতে পারে।

    পরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এবং দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমানের উপস্থিতিতে পুকুরে সেচ কাজ শুরু হয়। পানি শুকিয়ে ফেলার পর কাদার মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে ২১৯টি শটগানের কার্তুজ পাওয়া যায়।

    সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, আমরা গোপন তথ্যের ভিতৃতিতে নিশ্চিত হই যে, গণঅভ্যুত্থানকালে মিসিং হওয়া কিছু সরঞ্জাম এই পুকুরে থাকতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে অক্ষত অবস্থায় কার্তুজগুলো পাওয়া যায়।

    দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান জানান, উদ্ধার হওয়া প্রতিটি কার্তুজের গায়ে ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ লেখা রয়েছে। বিগত গণঅভ্যুত্থানে থানার ৩৬৫টি গুলি লুট হয়, যার মধ্যে সেচ দিয়ে এখন ২১৯টি উদ্ধার করা হয়েছে। পুকুরে আরও কোনো অস্ত্র বা গোলাবারুদ আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্তুজগুলো বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • জাপানে প্রবাসী কর্মী প্রেরণ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

    জাপানে প্রবাসী কর্মী প্রেরণ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত

     

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভার অনুবৃত্তিক্রমে আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া এর সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এমপি উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় জানানো হয় যে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী সরকারের যে নির্বাচনী ইশতেহার রয়েছে সে নির্বাচনী ইশতেহারের মধ্যে ২০ টি কার্যক্রম রয়েছে যেগুলো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্পৃক্ত।

    এ সরকারের অর্থাৎ বিএনপি দলীয় ইশতেহার যেহেতু জনগণ সমর্থন দিয়েছে সেহেতু এটি একটি জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে বিধায় এই জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কি রুপ কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় সে বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    আর বিশেষ করে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০২৬ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী জাপানে বাংলাদেশ থেকে লোক প্রেরণের বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    বিশেষ করে জাপানে ২০৪০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ যুবকশ্রেণির লোক প্রয়োজন হবে। এখন আমাদের বাংলাদেশে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন অতিরিক্ত যুব শ্রম শক্তি আছে। আমরা কিভাবে তাদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জাপানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রেরণ করা যায় এ বিষয়গুলো নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    বাংলাদেশ তার অদক্ষ শ্রম শক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে কিভাবে বিদেশে প্রেরণ করা যায়, বিদেশে শ্রমে নিয়োজিত করা যায় এই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনার মধ্যে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ বিশ্বে শুধুমাত্র অদক্ষ শ্রমিক সরবরাহ করে থাকে । এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আমাদেরকে বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ এবং আধা দক্ষ শ্রমিক রপ্তানির উপর জোর দিতে হবে। বিশেষ করে জাপানে যেহেতু এখন তাদের যুবকশ্রেণি কমে যাচ্ছে সে কারণে যে সমস্ত ট্রেড গুলোতে তাদের লোক দরকার সে সমস্ত ট্রেডগুলো অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য এবং ভাষা শিক্ষা দেয়ার জন্য পূর্বে ৩৩ টি টিটিসিতে ট্রেড রিলেটেড প্রশিক্ষণ সুনির্দিষ্ট করা হয়েছিল । এখন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সংশ্লিষ্ট সংস্থা হতে জাপানের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আরো ২০ টি যোগ করে মোট ৫৩ টিটিসিতে জাপানী ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের জন্য যদিও শিক্ষকের অপ্রতুলতা রয়েছে। কিভাবে আরো বেশি পরিমাণে জাপানি ভাষা শিক্ষা দেয়ার জন্য আরো বেশি পরিমাণে শিক্ষক নিয়োগ করা যায় এই সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    সভায় জাপানি ভাষা শিক্ষা দেয়ার জন্য, প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য আমাদের যে ২০০ বেসরকারি ট্রেনিং সেন্টার/ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে ট্রেনিং সেন্টার গুলো এবং বিদেশে শ্রমিকের প্রেরণকারী এজেন্সি সংস্থা যেগুলো রয়েছে। সেগুলোর কাছ থেকে আরও কি ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় এ নিয়েও সভায় আলোচনা হয়।

    এছাড়া আমরা কিভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি যাতে করে আমরা অন্যান্য দেশের আগেই জাপানের শ্রম বাজারে আমরা আমাদের শ্রমশক্তি রপ্তানি করতে পারি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং কতগুলো কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
    এগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে অচিরেই সম্ভব অর্থাৎ আগামী ৭ দিনের ভিতরে প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উপস্থাপনের জন্য সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে এসমস্ত কার্যক্রম বন্টন করে দেয়া হয়েছে। আগামী দুইদিন পরেই সেটার ফলোআপ আবার পুনরায় গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা প্রদান করেন। কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আগামী দুই কর্ম দিবস পরেই আবার বসা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

    এছাড়া, জাপানে জনশক্তি প্রেরণের বিষয়ে, প্রশিক্ষণের বিষয়ে যে সকল স্টেক হোল্ডার রয়েছে এবং শিক্ষক, ছাত্রদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়ার বিষয়ে, শিক্ষকদেরকে নিয়োজিত করার বিষয়ে যে সকল সকল অংশীজন রয়েছে এসকল স্টেকহোল্ডার বা বা অংশীজনদের কে নিয়ে আগামী পরশুদিন একটা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে আজকে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপত্র /সুপারিশ মালা প্রণয়ন করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের যাতে সফল বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সুপারিশ মালা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিকট প্রেরণ করা হবে বলে সবাই জানানো হয়।
    জাপানে কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সকল কর্মকর্তাকে দক্ষতার সাথে, আন্তরিকতার সাথে কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক আহ্বান জানান।

    সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর / সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

     

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর

     

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সমন্বিত উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী)  বিকেলে ঢাকা সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে অনেক সমস্যা থাকলেও আমরা আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করব। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চাই।

    দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুদের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রয়োজনে কমিটি গঠন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বান্দরবানের লামা থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা সব উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। এলজিইডি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

    সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য আসিনি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের মানুষের কল্যাণে বিরামহীন কাজ করতে এসেছি। ১৮০ দিনের প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন আমাদের অঙ্গীকার। ফ্যামিলি কার্ড, বৃক্ষরোপণ ও কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে। তিনি সরকারি কাজে কৃচ্ছতাসাধন এবং বাহুল্য বর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচনী মেনিফেস্টো অনুসরণ করে আমরা ১৮০ দিনের কর্মসূচি সফল করতে বদ্ধপরিকর। ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ সরকারের সকল নির্দেশনা নিষ্ঠার সাথে পালন করা হবে।

    সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে ওনাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে ওনাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ

     

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সাথে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল মালিকদের সংগঠন ‘অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওনাব)’।

    আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী)  সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে অনলাইন গণমাধ্যমের বিষয়ে আলোচনা হয়।

    এসময় ওনাব নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘জাতির ক্রান্তিলগ্নে গুরুত্বপূর্ণ খবর সবার আগে পরিবেশন করে জাতিকে অবহিত করার কাজ পালন করছি আমরা।’ তারা রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ফি সহ আরো কিছু সমস্যা সমাধানে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

    এসব সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁরা কিছু দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে বছর বছর রেজিস্ট্রেশন নবায়ন প্রথা বাতিল করা, নন রেজিস্টার্ড পোর্টাল বাতিল করা, রেজিস্টার্ড অনলাইন পোর্টালসমূহের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দ দেওয়া ইত্যাদি।

    এসময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী অনলাইন নিউজ পোর্টালকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে যৌক্তিক দাবিসমূহ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

    ওনাবের আহবায়ক মোস্তফা কামাল মজুমদার, সদস্য সচিব শাহীন চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক লতিফুল বারী হামীম, নির্বাহী সদস্য আশরাফুল কবির আসিফ, মহসিন হোসেন, অয়ন আহমেদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর  বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই – খাদ্য মন্ত্রী

    আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর  বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই – খাদ্য মন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক।

    খাদ্য , মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি  মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই।এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাবো।  সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সরকারের কাছে  জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।

    তিনি আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী)  খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে পরিচিতি সভায় এসব কথা বলেন।
    মন্ত্রী বলেন, হাজার বছর আগে এ পৃথিবীতে যারা এসেছিলেন তারা পৃথিবীটাকে আমাদের জন্য  সুন্দর করে  রেখে গেছেন বলেই আমরা উপভোগ করতে পারছি। আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের বড়ো দায়িত্ব হলো আগামী দিনে যারা এই পৃথিবীতে আসবে তাদের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী, সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া জন্য কাজ করা। আমরা নিজেদেরকে সেই কাজে নিয়োজিত করেছি।সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।

    তিনি আরও বলেন,  আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর, অধিকার ও বাকস্বাধীনতার দেশ। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে। আমাদের এবারের লক্ষ্য হবে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করা।এ জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।দেশের কম বেশি ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড যদি আমরা শক্ত করতে পারি তাহলে বাকি ৩০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড এমনিতেই শক্ত হয়ে যাবে।  অর্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির চূড়ান্ত হিসাব শেষ পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যেই নিহিত। মানুষ যত অর্থ-সম্পদই অর্জন করুক না কেন, ক্ষুধা নিবারণই জীবনের মৌলিক সত্য। খাদ্য উৎপাদন, মৎস্য, মাংস ও ডিম উৎপাদনের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

    পরিচিতি  সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য , মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি  মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি,খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগন।

    পরিচিতি সভায় খাদ্য , মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি  মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেন ৫ আগস্টের  পর দেশের মানুষের মধ্যে  পরিবর্তন এসেছে। মানুষ এখন আর বৈষম্য দেখতে চায় না। কোন অনিয়ম দুর্নীতি দেখতে চায় না।মানুষ চায় বাংলাদেশটা একটি সুন্দর ট্রাকে চলুক।ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ শুরু করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আমাদের সকলের উচিত তাঁর এ কাজে সহযোগিতা করা। এজন্য একটি ভালো টিম ওয়ার্ক দরকার।

    খাদ্য সচিব বলেন সরকারের গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা – কর্মচারীরা আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাবে।

     

  • লাইফস্টাইল সুবিধায় আরও সমৃদ্ধ রবি এলিট -১৩ নতুন প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়!

    লাইফস্টাইল সুবিধায় আরও সমৃদ্ধ রবি এলিট -১৩ নতুন প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়!

     

    রবি এলিট প্রোগ্রামে এবার একযোগে যুক্ত হলো ১৩টি প্রিমিয়াম পার্টনার। এর ফলে রবি এলিট গ্রাহকরা বিভিন্ন লাইফস্টাইল ক্যাটেগরিতে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।

    সুবিধাসমূহ :

    স্বাস্থ্যসেবা, ভ্রমণ ও বিমান পরিবহন, হোটেল ও অবকাশযাপন, ডাইনিং ও ক্যাফে, বিনোদন ও পারিবারিক অবসর, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও গৃহসেবাসহ বিভিন্ন খাতে এ সুবিধা মিলবে।

    রবি এলিটের নতুন অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার, জেনেরিক হেলথকেয়ার লিমিটেড, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, বেস্ট ক্লিন, ফান প্যারাডাইস, স্যাফরন ডাইন, থাই এক্সপ্রেস, বিনস অ্যান্ড অ্যারোমা, কান্ট্রি বয়, বেস্ট ওয়েস্টার্ন এসকেএস চট্টগ্রাম, বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ কক্সবাজার, বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস ম্যাপল লিফ এবং বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস কক্সবাজার। সম্প্রতি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। এ সম্পর্কিত সব অফার মাইরবি অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই পাওয়া যাবে। ফলে গ্রাহকরা যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গা থেকে প্রিমিয়াম সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

    সম্প্রতি আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সব ব্র্যান্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা এই অংশীদারিত্বকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকে পরিণত করেছে। অনুষ্ঠানটির নেতৃত্ব দেন রবি আজিয়াটা পিএলসি-এর হেড অব মার্কেটিং মোঃ শওকত কাদের চৌধুরী, রবি’র অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে – যা এই সহযোগিতার কৌশলগত গুরুত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে।

    রবি এলিট হলো রবি আজিয়াটার একটি প্রিমিয়াম লয়্যালটি প্রোগ্রাম। রবি এলিট গ্রাহকদের জন্য বছরজুড়ে থাকে এক্সক্লুসিভ সব লাইফস্টাইল সুবিধা। বিভিন্ন পণ্য ও সেবামূল্যে আকর্ষণীয় ছাড় পান রবি এলিট গ্রাহকরা।

    রবি সম্পর্কে:

    রবি আজিয়াটা পিএলসি (‘রবি’) একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি যেখানে এশিয়ার টেলিযোগাযোগ বাজারের অন্যতম কোম্পানি মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদের সিংহভাগ মালিকানা (৬১.৮২%) রয়েছে। এছাড়া রবিতে পাবলিক শেয়ারহোল্ডারদের (১০%) পাশাপাশি বিশ্ব টেলিযোগাযোগ বাজারের অন্যতম কোম্পানি ভারতী এয়ারটেলের (ভারত) শেয়ার রয়েছে ২৮.১৮%। রবি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর। দেশের মানুষের জন্য প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ডিজিটাল সেবা আনছে কোম্পানিটি। দেশের প্রতিটি প্রান্তে উদ্ভাবনী সেবা পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশে রবি অব্যাহত বিনিয়োগের মাধ্যমে শক্তিশালী টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। দেশজুড়ে থাকা এ অবকাঠামো ডিজিটাল পণ্য ও সেবা সরবরাহের পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল প্রতিবেশ গড়ে তুলতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে।

    শহর কিংবা গ্রাম যেখানেই হোক রবির হাত ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে হাটছে দেশবাসী।

  • জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

    জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই আমাদের লক্ষ্য – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

     

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জনগণের ভোটের মাধ্যমে বর্তমান সরকার নির্বাচিত হয়েছে। জনগণের আস্থা ও সমর্থনের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই জনগণের চাওয়া পাওয়া পূরণ করাই হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

    মন্ত্রী আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গৌরনদী উপজেলা ও পৌর শাখার আয়োজনে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড অডিটোরিয়ামে গৌরনদী-আগৈলঝাড়া`র ভোটকেন্দ্রিক নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

    বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের সরকার একটি জনবান্ধব সরকার। কেউ সরকারের লোক হয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষতির কারণ হবেন না। রাজনীতি কোন পেশা হতে পারে না। আমরা রাজনীতি করেছি সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষার জন্য। দায়িত্ব, ধৈর্য, দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি আস্থা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ের সাথে আপোষ করা যাবে না।

    দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকে মুক্ত, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল হিসেবে গঠন করতে হবে। সরকারি দলের প্রচার-প্রচারণার জন্য গণমাধ্যমকে ব্যবহার না করে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় জনগণের কাছে তুলে ধরার ব্যবস্থা করতে হবে। এসময় তিনি মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের চাকরি ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান।

    বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, গার্মেন্টস শিল্প ও রেমিট্যান্স বাদ দিলে আমাদের অর্থনীতির বড় একটি ভিত্তি হচ্ছে কৃষি খাত। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষি অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে আমাদের সরকার কৃষি কার্ড চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে যাতে করে একজন কৃষক বীজ, কীটনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি সহজে কিনতে পারে। এছাড়াও বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ ঘোষণা করেছে।

    শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গৌরনদী-আগৈলঝাড়া‘র বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, মহিলাদল, শ্রমিক দল, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।