Blog
-

সমালোচনা করা পৃথিবীতে সহজতম কাজ – খাদ্য মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক।।খাদ্য , মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, সমালোচনা করা পৃথিবীতে সহজতম কাজ,আমরা সমালোচনা বন্ধ করে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই। একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই যাতে আগামী প্রজন্ম আমাদের মনে রাখবে।একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এ সরকারের কাছে দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।তিনি আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) খাদ্য ভবনে খাদ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অধিদপ্তরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করা হয়। অধিদপ্তরের বর্তমান কার্যক্রম পরিচালনায় যে সমস্ত চ্যালেঞ্জ রয়েছে সে বিষয়ে মতবিনিময় সভায় আলোকপাত করা হয়।মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় এর মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত হেভি মেটাল এর অস্তিত্ব বিভিন্ন পরীক্ষায় পাওয়া যাচ্ছে। এর থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষক, খাদ্য উৎপাদন বা খাদ্যের কোয়ালিটি এ সেক্টরগুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন। মানুষকে ফুড নিয়ে যাতে কোন চিন্তা করতে না হয় সেই ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। একদিকে খাদ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।পাশাপাশি খাদ্যের মানও নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে আমারা যদি ডেভেলপ করতে পারি তাহলে আমদানি রপ্তানি থেকে শুরু করে সবগুলো কোয়ালিটি কন্ট্রোলের দায়িত্ব তাদের দিয়ে করানো যাবে।তখন তারা USFDA সাথে কানেক্ট হয়ে যাবে। তাদের দেওয়া সার্টিফিকেট বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা পাবে। আমাদের মূল টার্গেট চালের পাশাপাশি অন্যান্য ফুডও রপ্তানি করা। এজন্য আমাদের কাজ করতে হবে।মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা গতানুগতিক ধারার কাজের পরিবর্তে একটু ভিন্নতা নিয়ে কাজ শুরু করতে চাচ্ছি।আমি সত্যি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এসেছি। যেহেতু এখানে সময় দিবো তাই এটাকে অবশ্যই অর্থবহ করতে হবে।আর এজন্য আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই।তিনি খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, সমস্যা থাকবে এর সমাধানও আছে। আপনারা অভিজ্ঞ মানুষ আপনারা শুধু সমস্যার কথা বলবেন না, পাশাপাশি সম্ভব্য সমাধানের কথাও বলবেন। আমরা সবাইকে নিয়ে সমস্যার সমাধান করবো।আমরা একটা সুন্দর টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করতে চাই। আমার অনুরোধ থাকবে সবাই মানুষের জন্য কাজ করবেন। আমরা সবাই মিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন আমাদের কাজের সিস্টেম দেখে আমাদের মনে রাখে।আমরা সবসময় টেকসই সমাধানের জন্য কাজ করবো।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য , মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি,খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকার, খাদ্য অধিদপ্তরেরমহাপরিচালকসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগন।মতবিনিময় সভায় খাদ্য , মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তাসহ ভেজালমুক্ত খাদ্যের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন এবং এ কাজের জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান।খাদ্য সচিব মো: ফিরোজ সরকার বলেন, খাদ্য অধিদপ্তরের সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহবান জানান। ভুল তথ্যের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, অধিদপ্তরের সকল পর্যায়ে কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরকারের গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাবে। -

পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক।।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না। পুলিশের আইনানুগ কাজে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা যাবে না। একইসঙ্গে পুলিশের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে যাতে তাদের দ্বারা মানুষ হয়রানির শিকার না হয়৷মন্ত্রী আজ সোমবারে (২৩ ফেব্রুয়ারী) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চেইন অভ কমান্ড বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেশে লটারি করে এসপি এবং ওসিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে৷ এতে করে যার যেখানে যাওয়ার কথা না সেখানে দেওয়া হয়েছে৷ এসব পদায়ন সার্ভিস রেকর্ড দেখে করা উচিত ছিল৷ তাছাড়া লটারি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। আমরা দক্ষতা ও উপযুক্ততা বিবেচনায় নিয়ে এগুলো নিয়ে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক কারণে বিধির বাহিরে পুলিশ সুপাররা যেন কাউকে প্রটোকল না দেয় সে বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে- জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরিচালনা করা৷ মন্ত্রী এ সময় দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুলিশের ২ হাজার ৭০১টি কনস্টেবলের শুন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান।মন্ত্রী আরো বলেন, ২০২৪ সালের ০৫ আগস্টের পর বেশকিছু মামলায় অনেক সুবিধাবাদী গ্রুপ ভোগান্তিতে ফেলতে নিরীহ ও সাধারণ অনেক মানুষকে মামলায় জড়িয়েছে৷ পুলিশ বিভাগকে এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দিয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন করে সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে সেই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এর বিচার করা হবে। তিনি আরো বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও আছে। আমরা যেকোনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যে সকল আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা আবার ভেরিফাই করবো৷ সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়েছে কিনা আমরা সেটা খতিয়ে দেখবো৷ তিনি বলেন, লাইসেন্স যারা পেয়েছে তারা এটা পাওয়ার উপযুক্ত কিনা সেটা যাচাই করা হবে৷ যেগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লাইসেন্স পেয়েছে সেগুলো বাতিল করা হবে৷ এসব লাইসেন্স এর অধীনে অস্ত্র থাকলে সেগুলোও বাতিল হবে৷মন্ত্রী বলেন, পাসপোর্ট সেবা নিয়ে জনগণের অনেক অভিযোগ আছে। আমাদের অনেকেই অনলাইনে ইলেকট্রনিকভাবে পাসপোর্ট আবেদনে অভ্যস্ত নয়।সেজন্য পাসপোর্ট অফিসের আশপাশে কিছু লোকজনের সহযোগিতা নেয় যারা অনলাইনে কাজ করার মাধ্যমে আয় রোজগার করে। তাদের মাধ্যমে এবং পাসপোর্ট অফিসের কিছু লোকজনের যোগসাজশে জনগণ অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়ে। সেটা নিরসনে রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের ন্যায় তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হলে সেবা সহজীকরণ হবে এবং তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা যাবে। তাদের কাজের জন্য তারা যাতে সার্ভিস চার্জ পায়- সেটাও নির্ধারণ করে দেয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণের হয়রানি ও ভোগান্তি নিরসনে ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে এটি পরীক্ষামূলকভাবে আমরা চালুর চিন্তাভাবনা করছি। যদি ট্রায়াল এন্ড এরর পদ্ধতিতে এটা টিকে যায়, পরবর্তীতে এটি সারাদেশে চালু করা হবে। এ বিষয়ে শীঘ্রই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে।২০০৬ সালে নিয়োগ বঞ্চিত এসআই’দের নতুন করে নিয়োগ প্রদান করা হবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিয়োগ বঞ্চিত এসআই’দের ফাইলটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সারসংক্ষেপ আকারে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে গিয়েছিলো। তখন কি কারণে ফাইলটি অনুমোদন হয়নি- জানিনা। তিনি বলেন, তদন্ত করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের নিয়োগ প্রদান করা হবে।মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ দেলোয়ার হোসেন সহ আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। -

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সচিবালয়ে তাঁর নিজ অফিস কক্ষ থেকে টেলিফোনে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সাথে কথা বলেন। ফোনালাপে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং এই রোজার মাসে স্থানীয় পর্যায়ে বাজার দর নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো প্রকার আপস না করে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।ফোনালাপে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে ভূমি সংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলো অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে এবং আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রজ্ঞার সাথে সমাধান করার জন্য তিনি জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেন। এছাড়া এলাকার যানজট নিরসন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান।পার্বত্য এলাকায় কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তদন্তে প্রমাণিত দুর্নীতিবাজ ও ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ কমিটি গঠন করে এদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন তিনি। বান্দরবানের লামা থেকে শুরু হতে যাওয়া সরকারের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম যেন সফলভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে তিনি বান্দরবান জেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখার পাশাপাশি দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ সংখ্যসচিক চারা রোপণের তাগিদ দেন। এছাড়া তিন জেলাতেই পরিবেশবান্ধব ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও যুব উন্নয়নের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তদারকি করার জন্য তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন মন্ত্রী। -

দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই – সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন সময়ে জনগণের প্রত্যাশা ও অনুভূতির বিপরীতে অবস্থান নেওয়ার নজির থাকলেও বিএনপি সবসময় জনগণের সেন্টিমেন্ট ধারণ করে পথ চলেছে।
তিনি বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের আস্থা ও সমর্থন নিয়েই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।আজ রবিবার সন্ধ্যায় সাভারস্থ বিসিএস লাইভস্টক একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৪৪তম বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডার কর্মকর্তাদের “৫ দিনব্যাপী অবহিতকরণ কোর্স”-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কখনোই দেশের মানুষের অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষার বিপক্ষে অবস্থান নেয়নি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও অধিকারভিত্তিক আন্দোলনে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবসহ মানুষের অধিকার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংঘটিত আন্দোলনগুলোতেও বিএনপির ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান। ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের গণআন্দোলনেও বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পকারখানার বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় দেশের নদ-নদী দূষিত হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এ প্রেক্ষাপটে কৃষিভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন গড়ে তুলতে পারলে একদিকে যেমন অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে পরিবেশগত ভারসাম্যও রক্ষা পাবে। তাই কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি সমৃদ্ধ হলেই দেশ হবে উন্নত।
নবনিযুক্ত ক্যাডার কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা রাষ্ট্রের কর্মকর্তা। কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়—রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষাই আপনাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি কর্মকর্তাদের উপজেলাসহ মাঠপর্যায়ে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ প্রশিক্ষণার্থীরা এসময় উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন।
-

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ফেনীর দুই শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ফেনী জেলা শিশু একাডেমির আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, ফেনী’র দুই শিক্ষার্থী কৃতিত্ব অর্জন করেছে।
শনিবার বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ ও উন্নয়ন) ফাহমিদা হক। এসময় ফেনী জেলা শিশু একাডেমীর আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ক বিভাগে (১ম থেকে ৩য়) দ্বিতীয় স্থান অর্জনকরী মুনিসা রিথীমা ও গ বিভাগে (৭ম থেকে ১০) দ্বিতীয় স্থান অর্জনকরী সম্পূর্ণা সাহার হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।
এরআগে জেলা পরিষদ সেলিম আল দীন মিলনায়তনে শিশু একাডেমির আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, ফেনী’র শিক্ষার্থী মুনিসা রিথীমা কবি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ‘আমাদের এই বাংলাদেশ’ ও শিক্ষার্থী সম্পূর্ণা সাহা কবি আবদুল গাফফার চৌধুরীর ‘একুশের গান’ কবিতা আবৃত্তি করে বিচারকদের মুগ্ধ করে মেধাস্থান অর্জন করেন।
সম্পূর্ণা সাহা বলেন, ‘আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মিলন স্যার ও শামীম স্যারের কাছে আমি আবৃত্তি শিখছি। স্যারদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজ আমি এ পর্যন্ত এসেছি। ভবিষ্যতে আমি আরো ভালো করতে চাই। ‘
আলাপন আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, ফেনী’র সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নাজমুল হক শামীম বলেন, ‘১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি চলতি বছর ৩২ বছরে পা দিয়েছে। সংগঠনটি বর্তমানে নিয়মিত ও অনিয়মিত সদস্য মিলিয়ে ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সম্পূর্ণা ও মুনিসাকে শিক্ষকরা ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দেয়ায় তারা এমন কৃতিত্ব অর্জন করেছে। ইতিপূর্বে সম্পূর্ণ সাহা বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগীতায় আঞ্চলিক পর্বে আবৃত্তিতে ইয়েস কার্ড পেয়েছিলেন। সম্পূর্ণা ও মুনিসা দুজনই বিগত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছিল।’
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা কালচারাল অফিসার, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-

রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মন্ত্রী আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, আইন ও বিচার বিভাগে স্বাধীনতার চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। দেশে প্রকৃত অর্থে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এর কোনো বিকল্প নেই। রাষ্ট্র পরিচালনায় সব ক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে না রেখে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। এতে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বাড়বে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইব্রাহীম মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
-

দাগনভূঁইয়া থানা থেকে লুট হওয়া শটগানের কার্তুজ উদ্ধার
ফেনী প্রতিনিধি।
ফেনীর দাগনভূঞা থানার ভেতরের পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুকুরটিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালানোর পর এই কার্তুজগুলো পাওয়া যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া সরঞ্জামের অংশ ছিল এগুলো।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানার মতো দাগনভূঞা থানাতেও হামলা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশের বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ খোয়া যায়। দীর্ঘদিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, খোয়া যাওয়া কিছু সরঞ্জাম থানার পুকুরেই থাকতে পারে।
পরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এবং দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমানের উপস্থিতিতে পুকুরে সেচ কাজ শুরু হয়। পানি শুকিয়ে ফেলার পর কাদার মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে ২১৯টি শটগানের কার্তুজ পাওয়া যায়।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, আমরা গোপন তথ্যের ভিতৃতিতে নিশ্চিত হই যে, গণঅভ্যুত্থানকালে মিসিং হওয়া কিছু সরঞ্জাম এই পুকুরে থাকতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে অক্ষত অবস্থায় কার্তুজগুলো পাওয়া যায়।
দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান জানান, উদ্ধার হওয়া প্রতিটি কার্তুজের গায়ে ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ লেখা রয়েছে। বিগত গণঅভ্যুত্থানে থানার ৩৬৫টি গুলি লুট হয়, যার মধ্যে সেচ দিয়ে এখন ২১৯টি উদ্ধার করা হয়েছে। পুকুরে আরও কোনো অস্ত্র বা গোলাবারুদ আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। উদ্ধার কার্তুজগুলো বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
-

জাপানে প্রবাসী কর্মী প্রেরণ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার অনুবৃত্তিক্রমে আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া এর সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক এমপি উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয় যে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী সরকারের যে নির্বাচনী ইশতেহার রয়েছে সে নির্বাচনী ইশতেহারের মধ্যে ২০ টি কার্যক্রম রয়েছে যেগুলো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্পৃক্ত।
এ সরকারের অর্থাৎ বিএনপি দলীয় ইশতেহার যেহেতু জনগণ সমর্থন দিয়েছে সেহেতু এটি একটি জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে বিধায় এই জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কি রুপ কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় সে বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আর বিশেষ করে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০২৬ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী জাপানে বাংলাদেশ থেকে লোক প্রেরণের বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।বিশেষ করে জাপানে ২০৪০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ যুবকশ্রেণির লোক প্রয়োজন হবে। এখন আমাদের বাংলাদেশে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন অতিরিক্ত যুব শ্রম শক্তি আছে। আমরা কিভাবে তাদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জাপানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রেরণ করা যায় এ বিষয়গুলো নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ তার অদক্ষ শ্রম শক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে কিভাবে বিদেশে প্রেরণ করা যায়, বিদেশে শ্রমে নিয়োজিত করা যায় এই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনার মধ্যে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ বিশ্বে শুধুমাত্র অদক্ষ শ্রমিক সরবরাহ করে থাকে । এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আমাদেরকে বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ এবং আধা দক্ষ শ্রমিক রপ্তানির উপর জোর দিতে হবে। বিশেষ করে জাপানে যেহেতু এখন তাদের যুবকশ্রেণি কমে যাচ্ছে সে কারণে যে সমস্ত ট্রেড গুলোতে তাদের লোক দরকার সে সমস্ত ট্রেডগুলো অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য এবং ভাষা শিক্ষা দেয়ার জন্য পূর্বে ৩৩ টি টিটিসিতে ট্রেড রিলেটেড প্রশিক্ষণ সুনির্দিষ্ট করা হয়েছিল । এখন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সংশ্লিষ্ট সংস্থা হতে জাপানের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আরো ২০ টি যোগ করে মোট ৫৩ টিটিসিতে জাপানী ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের জন্য যদিও শিক্ষকের অপ্রতুলতা রয়েছে। কিভাবে আরো বেশি পরিমাণে জাপানি ভাষা শিক্ষা দেয়ার জন্য আরো বেশি পরিমাণে শিক্ষক নিয়োগ করা যায় এই সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
সভায় জাপানি ভাষা শিক্ষা দেয়ার জন্য, প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য আমাদের যে ২০০ বেসরকারি ট্রেনিং সেন্টার/ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে ট্রেনিং সেন্টার গুলো এবং বিদেশে শ্রমিকের প্রেরণকারী এজেন্সি সংস্থা যেগুলো রয়েছে। সেগুলোর কাছ থেকে আরও কি ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় এ নিয়েও সভায় আলোচনা হয়।
এছাড়া আমরা কিভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি যাতে করে আমরা অন্যান্য দেশের আগেই জাপানের শ্রম বাজারে আমরা আমাদের শ্রমশক্তি রপ্তানি করতে পারি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং কতগুলো কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
এগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে অচিরেই সম্ভব অর্থাৎ আগামী ৭ দিনের ভিতরে প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উপস্থাপনের জন্য সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে এসমস্ত কার্যক্রম বন্টন করে দেয়া হয়েছে। আগামী দুইদিন পরেই সেটার ফলোআপ আবার পুনরায় গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা প্রদান করেন। কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আগামী দুই কর্ম দিবস পরেই আবার বসা হবে বলে সভায় জানানো হয়।এছাড়া, জাপানে জনশক্তি প্রেরণের বিষয়ে, প্রশিক্ষণের বিষয়ে যে সকল স্টেক হোল্ডার রয়েছে এবং শিক্ষক, ছাত্রদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়ার বিষয়ে, শিক্ষকদেরকে নিয়োজিত করার বিষয়ে যে সকল সকল অংশীজন রয়েছে এসকল স্টেকহোল্ডার বা বা অংশীজনদের কে নিয়ে আগামী পরশুদিন একটা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে আজকে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সকলের মতামতের ভিত্তিতে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপত্র /সুপারিশ মালা প্রণয়ন করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের যাতে সফল বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সুপারিশ মালা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিকট প্রেরণ করা হবে বলে সবাই জানানো হয়।
জাপানে কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সকল কর্মকর্তাকে দক্ষতার সাথে, আন্তরিকতার সাথে কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক আহ্বান জানান।সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট দপ্তর / সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সমন্বিত উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ঢাকা সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। এখানে অনেক সমস্যা থাকলেও আমরা আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করব। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে চাই।
দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুদের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতি ও ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রয়োজনে কমিটি গঠন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বান্দরবানের লামা থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা সব উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। এলজিইডি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য আসিনি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের মানুষের কল্যাণে বিরামহীন কাজ করতে এসেছি। ১৮০ দিনের প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন আমাদের অঙ্গীকার। ফ্যামিলি কার্ড, বৃক্ষরোপণ ও কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে। তিনি সরকারি কাজে কৃচ্ছতাসাধন এবং বাহুল্য বর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচনী মেনিফেস্টো অনুসরণ করে আমরা ১৮০ দিনের কর্মসূচি সফল করতে বদ্ধপরিকর। ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ সরকারের সকল নির্দেশনা নিষ্ঠার সাথে পালন করা হবে।
সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে ওনাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সাথে সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল মালিকদের সংগঠন ‘অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওনাব)’।
আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে অনলাইন গণমাধ্যমের বিষয়ে আলোচনা হয়।
এসময় ওনাব নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘জাতির ক্রান্তিলগ্নে গুরুত্বপূর্ণ খবর সবার আগে পরিবেশন করে জাতিকে অবহিত করার কাজ পালন করছি আমরা।’ তারা রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ফি সহ আরো কিছু সমস্যা সমাধানে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
এসব সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁরা কিছু দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে বছর বছর রেজিস্ট্রেশন নবায়ন প্রথা বাতিল করা, নন রেজিস্টার্ড পোর্টাল বাতিল করা, রেজিস্টার্ড অনলাইন পোর্টালসমূহের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দ দেওয়া ইত্যাদি।
এসময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী অনলাইন নিউজ পোর্টালকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে যৌক্তিক দাবিসমূহ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
ওনাবের আহবায়ক মোস্তফা কামাল মজুমদার, সদস্য সচিব শাহীন চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক লতিফুল বারী হামীম, নির্বাহী সদস্য আশরাফুল কবির আসিফ, মহসিন হোসেন, অয়ন আহমেদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।