অবাধ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের কৃতিত্ব সকলের – –  স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

 

অবাধ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের কৃতিত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট সকলের বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।

উপদেষ্টা আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারী)  দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্বে) মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মাদ মফিজুর রহমান, যুগ্মসচিব তৌহিদুল ইসলাম ও উপসচিব নীলিমা আফরোজ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন, অর্থ ও পুলিশ) মোঃ আতাউর রহমান খান এনডিসি।

প্রধান অতিথি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন। উপদেষ্টা বলেন, গত পরশুদিন অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তিন বার টেবিল চাপড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বিদায়ী সংবর্ধনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমি আনন্দিত। কেননা, জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থাকে সবচেয়ে বেশি। তিনি এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিকট গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমি জীবনের চতুর্থ কোয়ার্টার অতিবাহিত করছি। উপদেষ্টা বাকি জীবন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যাতে সুখে-শান্তিতে অতিবাহিত করতে পারেন, সেজন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন।

পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছরে আমার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে আপনারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সভায় মিডিয়া কাভারেজ প্রদানের মাধ্যমে জনগণের নিকট আমাদের কার্যক্রম তুলে ধরেছেন, আমাদের ভুলত্রুটিও ধরিয়ে দিয়েছেন- যা আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের “চতুর্থ স্তম্ভ” বলা হয়। গণমাধ্যম যেকোনো রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং আইনসভা—এই তিনটি স্তম্ভের পাশাপাশি গণমাধ্যম সমাজে জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপদেষ্টা এসময় ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমের এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

Related Articles

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles