ফাঁসকৃত ও বিতর্কিত ATEO পরীক্ষা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র ক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন।আগের রেজাল্ট ও পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে হোক পরীক্ষা।
এটিইও পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে ১ অক্টোবর থেকে ফেসবুক জুড়ে সংবাদ চলমান।৫০০ প্রশ্নের শর্ট সাজেশন ৯০% কমনের নিশ্চয়তা দিয়ে ফেসবুকে ওপেনলী প্রশ্ন বিক্রি করছিলো বলে পরীক্ষার্থীদের দাবি।এমনকি
গত ৩অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার(ATEO) পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যতম হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
তার জের ধরেই সর্বত্র ছড়িয়ে পরে প্রশ্ন ফাঁসের খবর।
ফা়ঁসকারীদের একদল সেই শুরু থেকেই বলে আসছিলো যে ফাঁসকৃত প্রশ্নেই পরীক্ষা হবে।পরীক্ষার পরেও বিভিন্নজন কমেন্টে বলেছে ফাঁসকৃত প্রশ্নেই পরীক্ষা হয়েছে।তারা রিটেনের প্রশ্নও পর্যায়ক্রমে দিবে।এমনকি নাম্বার বাড়িয়ে দিয়ে হলেও তাদেরকে টিকানো হবে সেই কার্যক্রম চলছে।অল্প কিছুদিনের মধ্যেই প্রিলির ফলাফল প্রকাশিত হবে।যা ফেসবুকের বিভিন্ন স্ক্রীনশট থেকে বুঝা যায়।
আব্দুর রহমান নামের একজন ফেসবুকে 500309 রেজি.নম্বরটি মোহাম্মদপুর সরকারী কলেজে অনুপস্থিত ছিল, যে তার পিছনে ছিল কিন্তু তাহার রেজি.নম্বর রেজাল্টে দেখা যায়।এরূপ আরো কিছু খবর ফেসবুকে পাওয়া যায়।কত বড় গৌরবের কথা।রিটেনের জন্যও প্রশ্ন সাপ্লাই করা হবে।যারা টিকছে তারও গৌরব করে বলছে তাদের ৯০+ থাকবে।এরূপ প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থায় অনেক যোগ্য প্রার্থীও লজ্জায় বলতে পারছে না টিকছে।
০.৫০ তে কাটমার্কে হয়েও সহকারী শিক্ষক ৯-৪ সময় ধরে চাকুরী করে ৮০+ মার্ক পাওয়া সত্যিই কঠিন।তার উপরে নন-বিভাগীয় প্রার্থীও অনেকে পরীক্ষা দিয়েছে।এত কিছুর পরে কাটমার্ক এত উপরে উঠা অস্বাভাবিক কিছু নয়।সে হিসাবে অনেক প্রার্থী চেয়েছে অপেক্ষাকৃত বাড়িয়ে প্রিলিতে টিকানো হলে সিনিয়র অনেক শিক্ষকও সৎভাবে যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারা অনেকেই সুযোগ পেতো।
আবার পরীক্ষা নেবার কথা, যখন থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে তখন থেকেই প্রার্থীরা বলে আসছে।তারা ৭০+ নিয়ে আশা করতে পারতো। কিন্তু ফাঁস হওয়া প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ হতে চায়নি এবং ৮০ মার্কেও ফলাফল আসা রিস্কি সেজন্য অনেকেই পরীক্ষার পর থেকেই আবার নতুনভাবে পরীক্ষা হবার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। সৎভাবে পরীক্ষা হলে কিন্তু যারা প্রশ্নে ফাঁসে বা প্রশ্ন পেয়ে টিকেছেন তারা ভয় পাবে অন্যরা নয়। যেকেউ সৎভাবে আবার পরীক্ষার পক্ষে বললে তার যোগ্যতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে না।সৎ হয়েও এখন টিকে বলতে লজ্জা পাচ্ছে। যাই হোক পরীক্ষা বাতিল হোক সেটা চাই,এখন আর চাই না যে বাড়িয়ে টিকাক।প্রশ্ন ফাঁসকারীরা আবার রিটেন এইভাবেই কিন্তু যাবে সবাই সোচ্চার হতে সবাইকে বলা হচ্ছে।
পিএসসি ওদের বন্ধু নয়তো? তা না হলে পিএসসি এদের পক্ষে কেন? ভাইবাতেও এরা পার পেয়ে যাবে। কিংবা এত দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করে পরীক্ষা বাতিল না করলে পিএসসি এর দায় কোনভাবেই এড়াতে পারবে না।

