1. admanu3@gmail.co : IT Admin : IT Admin
  2. admanu3@gmail.com : admanu :
  3. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  4. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  5. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  6. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  7. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  8. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

১লা সেপ্টেম্বরে ই-বুক ও অডিও অ্যাপসে আসছে ‘হ্নদিতা তুই এমন কেন’

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বেশ ক’টি সড়কের আশে-পাশে আজকাল অনেক বকুলবৃক্ষ। যান্ত্রিক-প্রাণহীণ রুক্ষ এই শহরটায় তা আমি আগে খেয়াল করিনি এতো…
এইতো সেদিন তুমূল যানজটে রিকশায় বসে ঝিমুচ্ছিলাম, অম্নি টুপ করে ঝরে পড়লো একটা বকুল ফুল… ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে আমিতো হতবিহ্বল আমি যে অজস্র বকুল ফুলের নীচেই বসে আছি।
সড়ক বিভাজনের মধ্যে বকুলবৃক্ষের সারি, অনেকগুলো…! সড়কেও অনেক ফুল পড়ে আছে, মন চাইলো রিকশাটা ছেড়ে দিয়ে ফুল কুড়াতে নেমে পড়ি, যেভাবে তারুণ্যে কুড়াতাম! সামাজিক অবস্থান আর সময়ের সংকোচ আমাকে নিবৃত করলো রাজপথে ফুল কুড়ানো থেকে…
কিন্তু, কিছুতেই আমার ফেলে আসা তারুণ্যের স্মৃতি নিবৃত হলো না, বার-বার উকি দিচ্ছে হৃদিতা’র সঙ্গে বকুল দিনের ভোরের ফুল কুড়ানোর স্মৃতিমালা নীলবিরহ জাগানিয়া…
হৃদিতা আমার ছোট্টবেলার খেলার সাথী, লুডু, এক্কা-দোক্বা, কানামাছি আরো কতো কি ওর সঙ্গে আমার।
তারুণ্যে এসে দেখতাম প্রতি প্রত্যূষ্যে হৃদিতা পুকুরের ওই পাড়ে ফুল কুড়াতে যেতো। তার সঙ্গে একদিন-দু’দিন যেতে-যেতে আমারও অভ্যাসে পরিণত হলো ফুল কুড়ানো। হৃদিতা ফুল কুড়িয়ে তার ওড়নার আঁচলে রাখতো, আমার কুড়ানো ফুলগুলোও তাকে দিতাম, আর অপলকে চেয়ে দেখতাম তার ওড়নায় ফুল রাখার প্রতিদিনের কাঙ্খিত দৃশ্য।
ওই সময়টা হৃদিতাকে ভেবে-ভেবেই কাটতো যেনো আমার রঙিন প্রজাপতি মনের সকাল-সন্ধ্যা বেলা।
হৃদিতাটা কেমন যেনো বদলে যাচ্ছিলো, তার চাল-চলনে, ঘাস ফড়িংয়ের মতো রিড়িং-বিড়িং…।
একদিন বকুল ফুল কুড়াতে-কুড়াতেই শুধালাম হ্যাঁ-রে হৃদি, প্রতিদিন এতো ফুল নিয়ে করিসটা কি শুণি?
খিল-খিল করে হাসতে-হাসতে হৃদিতা বললো পূজো দেইরে, পূজো, জানিস- আমার না একটা দেবতা আছে।
আমি বলি, এই মেয়ে কি সব ভুল-ভাল বকছিস? তুই ধর্মান্তরি হলি কবে? বাসার কেউ জানে?
ধূর পাগল, ধর্মান্তরি হতে যাবো কেন, পূজো দিতে হলে ধর্মান্তরি হতে হয় না, দেবতা পেলেই হলো…
কিসের দেবতা? কেমন দেবতা? কোথায় পেলি? আমার মাথায় কিছুই ডুকছেনা, ভূত-টূত দেখিসনিতো?
নারে, ভূত-টুত না, সত্যি-সত্যি দেবতা আছে, তাকে আমি রোজ একটি করে বকুলফুলের মালা দেই।
কোথায় থাকে তোর সেই দেবতা? যাকে আমি এখনো দেখিনি! আমাকে বল কোথায় থাকে…?
বলবো রে বলবো, তুই ছাড়া এমন আপন আর কে আছে আমার, যে আমাকে বোঝে, তোকেই বলবো…
আমার প্রতি হৃদিতার ভালোবাসা আর আস্থার কথা শুনেই চিত্তজুড়ে একটা কোমল ঢেউ খেলে গেলো…
হৃদিতা বললো, অপু আরেকটু গুছিয়েনিরে, তারপর তোকে সব বলবো, আমাকে আরেকটু সময় দে…
এভাবেইতো কেটে যাচ্ছিলো আমাদের দিন… আমার তারুণ্য যেনো যৌবনের টানে…
হৃদিতার আর সময় হয়নি আমাকে সব বলার। হৃদিতাটা আমার তেত্রিশদিনের ছোট হলেও ওকে আজকাল আমার কেমন মুরুব্বি-মুরুব্বি লাগে, তার চাল-চলন, কথা-বার্তা কেমন পরিপাটি বড়োদের মতো…।
একদিন হৃদিতা বললো- ‘দেখ অপু, আমাদের এইভাবে চলাফেরাটা বাড়ির বড়ো’রা আর ভালোভাবে নিচ্ছে নারে…!’ তারপর চলাফেরাটায় কেমন যেনো একটা ভাটা পড়ে গেলো আমাদের…
এরমধ্যে আমারো একটু সাবালকত্ব এসেছে দেহ-মনে, বন্ধুদের সঙ্গে বেশ আড্ডামারি, হৃদিতা ও তার বান্ধবীর দৈহিক গড়ন নিয়েও রসালো গাল-গপ্প চলতো, বন্ধুরা আমাকে আর হৃদিককে নিয়ে গল্প বানাতো, এ নিয়ে উপরে-উপরে বন্ধুদের সঙ্গে রাগ-অভিমান দেখালেও ভেতরে-ভেতরে আমি পুলকিত হতাম, আমি চাইতাম বন্ধুদের রসালো গল্পগুলো আমার জীবনে সত্যি হয়ে উঠুক। ওই সময়ে রাত করে বাসায় ফিরতাম, বন্ধুদের সঙ্গে একটু-আধটু সিগারেট টেনে-টেনে বলা যেতে পারে অভ্যাসটাই করেই ফেলেছি… দেরি করে ঘুম থেকে উঠি বলে এখন হৃদিতা ফুল কুড়াতে যায় কিনা ঠিক জানি না… ও আগের মতে আমাকেও ডাকে না।
সেদিন সকাল থেকেই গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টি ঝরছিলো… ঘর থেকে বেরুতে বড্ড আলসেমী লাগছিলো, পকেটে একটাও সিগারেট নেই, কিন্তু সিগারেটের নেশাটা মাথা ছাড়া দিয়ে উঠলো… মাসুম দা’তো সিগারেট খায়, কিন্তু বড়দা’ বলে কথা, জেঠাতো ভাই হলেও তিনি আমার বছর পাঁচেকের বড়ো, তার কাছ থেকেতো চেয়ে সিগারেট খাওয়াটা যাবে না, কানটা মলে দেবে। কিন্তু সিগারেট যে আমার এখন চাই-ই-চাই, ভাবলাম- দেখি তার ঘরে গিয়ে যদি মাসুম দা’ ঘরে না থাকেন, তাহলে তার ওখান থেকেই দু’একটা মেরে দিতে হবে… ভাবনাকে আর প্রশ্রয় না দিয়ে আমি মাসুম দা’র ঘরে গিয়ে দেখি তিনি নেই, এদিক-সেদিক খুঁজে কোথাও না সিগারেট না পেয়ে, মাসুম দা’র টেবিলের ড্রয়ারে খুঁজতে গিয়ে দেখি বকুল ফুলের শতাধিক শুকনো মালা, সঙ্গে বেশ ক’টি চিরকুট…
সবগুলো চিরকুটেই একই কথা- ‘দেবতা তোমাকে পূঁজারীর অর্ঘ্য’!!!
আমি হাতের লেখা চিনতে পারলাম, আবিষ্কার করলাম হৃদিতার দেবতাটাকে, মাসুম দা’র প্রেমে পড়েই বুঝি হৃদিতা একদিন আমাকে বলেছিলো- ‘দেখ অপু, আমাদের এইভাবে চলাফেরাটা বাড়ির বড়ো’রা আজকাল আর ভালো ভাবে নিচ্ছে নারে…’!

** প্রিয় পাঠক, এই ‘হৃদিতা তুই এমন কেন’ উপন্যাসের বাকি টুকু অংশটুকু পড়তে হলে ১ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে দেখুন-
রবি বইঘর, এয়ারটেল মাই পকেট বুক, বাংলালিংক বইঘর, জিপি বইমেলা, বিকাশ বইঘর, বইঘর গ্লোবাল’র ই-বুক অ্যাপসে তানভীর আলাদিনের লেখা উপন্যাস, গল্প ও নাটক, কবিতা ও অনুকাব্য’র ৮টি গ্রন্থ’র ই-বুক এবং অডিও প্রকাশ করা হবে।
ই.বি.এস অ্যপসে তানভীর আলাদিনের যে ৮টি গ্রন্থ ই-বুক এবং অডিও’তে ক্রমান্বেয়ে আসছে, সেগুলো হচ্ছে-
১. হৃদিতা তুই এমন কেন (উপন্যাস),
২. মন থেকে দিয়ে যাই শুভকামনা (উপন্যাস)
৩. হৃদিতার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট (উপন্যাস)
৪. গল্পগুলো নীল রঙের (গল্পগ্রন্থ)
৫. মুজিব মানে বাংলাদেশ (যৌথ কাব্যগ্রন্থ)
৬. সংশপ্তক শেখ হাসিনা (যৌথ কাব্যগ্রন্থ)
৭. এলিয়েন-৬৯ (সায়েন্স ফিকশন ড্রামা)
৮. শ্রাব্য-অশ্রাব্য-অনুকাব্য।

–সবার জন্যে ভালোবাসায় আপনাদের তানভীর আলাদিন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর