1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  7. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

রাজশাহীর কে এই দেবু!!

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

দেবাশিষ প্রামানিক (দেবু) ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী মহানগরের সাধারন সম্পাদক হলো কি ভাবে??কি ভাবে তিনি সিনিয়র নেতাদের টপকিয়ে রাতা-রাতি কেন্দ্রীয় নেতাও হয়ে গেলেন।
এই দেবাশিষ খুব ঠান্ডা মাথায় কর্মীদের উপরে কাঠাল ভেঙ্গে নেতা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।শুধু তাই নয় তার দলের এম.পিকে সন্তষ্ট করার জন্য তিনি নানা ভাবে কর্মীদের ব্যাবহার করে আসছেন।কিছুদিন আগে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় রাজশাহী সদর আসনের এম.পির সহধর্মীনি তাসলিমা খাতুন কলেজে নিয়মিত ক্লাস না করিয়ে অপুস্থিত থেকে মাসিক বেতন তুলে নেয়, যেটা অনিয়মের মধ্য পড়ে।পরবর্তীতে এই দেবুই কিছু প্রেস মিডিয়াকে সন্তুষ্ট করে মানিয়ে নিয়ে বিষয়টি ধামা-চাপা দেয়।এতে করে তিনি এম.পির আরো বিশ্বাস্ত হয়ে ওঠেন।ওয়ার্কার্স পার্টি কিছু নেতা দল থেকে বেড়িয়েও আসেন।যার মধ্যে রয়েছেন এম.পি বাড়ির এলাকার রায়হান আওয়ামীলীগে যোগ দেন ১০০নেতা-কর্মী নিয়ে।এর পিছনেও দেবু হাত রয়েছে বলে জানা যায়।অতীতেও এমনটি ঘটেছে রাগিব হাসান মুন্নার দল থেকে বেড়িয়ে আসা।তারও আগে প্রথম লিটন ভাইযের মেয়র নির্বাচনের ঠিক আগ মূহুর্তে ২০০ নেতা-কর্মী নিয়ে বেড়িয়ে বি.এন.পিতে যোগদান করেন হিকোল।এসবের পিছে কোন না কোন ভাবে দেবু জড়িত রয়েছেন তার একক আধিপত্য বিস্তারের লক্ষে।কিছুদিন আগে দল ত্যাগ করে বেড়িয়ে এসে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন বর্ষিয়ান ওয়ার্কার্স পার্টির আরেক ত্যাগী নেতা নাসির উদ্দীন(লিমন) তাকে ষড়যন্ত্র করে মাদক ব্যাবসায়ি বানানো হয়।সেখানেও রয়েছে এই দেবুই হাত।এই দেবু একটি আদিবাসী সংস্থা বানিয়ে নাম করণ করেন “আসাউস”এই আসাউসের নামে একাধিক বার এম.পির থোক বরাদ্দের গ্রামীন অবকাঠামো প্রকল্প টি.আর-এর টাকা আত্বসাত করেন।শুধু তাই নয়, খবর নিয়ে জানা যায় তিনি ত্যাগীনেতাদের চাকুরী না দিয়ে তার নিজের স্ত্রীকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী দেন।এই দেবু ওএমএস ডিলারও তার পছন্দের ব্যক্তিদের দিতে এমপি সাহেবকে সুপারিশ করেন এবং সেই ডিলারশীপ গুলি করে দেন।বিভিন্ন প্রোগ্রামের নাম লক্ষ লক্ষ টাকা কর্মীদের মাথা বিক্রি করে পকেট গরম করেন।গোপন সূত্রে জানা যায়,তিনি বিভিন্ন সময় রেলে টেন্ডারবাজিও করেন।এখানেই শেষ নয়, তিনি চাকুরী দিয়ে নিয়োগ বানিজ্যও করেছেন।এক ভূক্তভূগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান রাঃবিঃতে চাকুরী দিয়ে তার পূর্বের বাড়ি(যেখানে তিনি থাকতেন)সাগর পাড়ায় ডেকে নিয়ে ৪(চার)লক্ষ টাকা নেন এবং সেই কর্মীকে বলে দেয় এটা যেন কোন দিন কেউ না জানে কোন সাক্ষি ব্যাতিত।কোন কর্মী তার বিরুদ্ধে কথা বললে দেবুর ক্যাডার বাহীনি পাঠিয়ে ধরে নিয়ে এসে ব্যাপক নির্যাতন চালান।ভয়ে ও চাকুরী এবং ডিলারশীপ পাওয়ার জন্য কোন কর্মী মূখ খুলে না।দেবু পার্টিকে যে ভাবে চালাবে সে ভাবে চলতে হয় নেতা-কর্মীদের।গঠনতন্ত্রকে না মেনে ফজলে হোসেন বাদশাকে সাধারণ সম্পাদক বানাতে প্রায় ৬০০(ছয়শত)কর্মীকে সভ্য পদ প্রদান করা হয় সর্বশেষ ঢাকার কংগ্রসের আগে।এই বিষয়টির উপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় ওয়ার্কার্স পার্টির সেই সময় অনেকে দল ত্যাগ করে।দেবাশিষ প্রমানিক দেবু একজন সুবিধাভোগী রাজনীতি বিদ।বর্তমানে সে বাংলাদেশের নাগরিক নয়, তিনি আমেরিকায় গ্রীন কার্ড করে সেখানকার নাগরিকত্ব নিয়ে নিয়েছেন বলে জানা যায়।এই দেবাশিষ প্রামানিকের পাঠার বলি হয়েছেন অনেক বাঘা বাঘা নেতা।মূলত কর্মীদের মাথা বিক্রি করে খাওয়াই তার কাজ।কেউ দেবু বিরুদ্ধে বললে বা লিখলে তাকে চরম আঘাত করা হয়,যা মধ্য যুগীয় নির্যাতনের শামিল।কোন পত্রিকা তার বিরুদ্ধে লিখলে তাদেরকেউ কোন না কোন ভাবে হ্যারেজ করা হয়।নিজে স্বার্থ হাসিলের জন্য যে কাউকে এই দেবু ব্যাবহার করতে হয় কিভাবে তা খুব ভালো ভাবেই জানেন।তার কাছে দলের কোন গঠনতন্ত্র লাগে না।দেবু নিজেই তার দলের গঠনতন্ত্র।দেবু যেই কমিটি করবে সকলকে তা মেনে নিতে হবে, অর্থাৎ পকেট কমিটি।এটাই তার নৈতিকতা বর্তমান।
সদর আসনের এম.পির স্ত্রী কলেজে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন তুলেন।দেবু কিছু মিডিয়াকে টাকার বিনিময়ে ধামা-চাপা দিয়ে বনে যায় এম.পির বিশ্বাস্ত। নৌকা মার্কা নিয়ে ভোট করে কোটি কোটি টাকা খরচ করে এম.পি হন।আর ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা-এম.পিরা কোন দূর্নীতি করেন না।তো গত জাতীয় নির্বাচনে যে টাকা খরচ হয়েছে তার উৎস কোথায়?আদর্শের বুলি আওরিয়ে কর্মীদের মাথা বিক্রি করে বাম রাজনীতি হয় না।ডানের সাথে ঐক্য করে নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করে আদর্শ দেখিয়ে শুধু মানুষকে পথভ্রষ্ট করা ছারা আর কিছুই না।আওয়ামীলীগের নৌকা নিয়ে নিবার্চিত হয়ে আওয়ামীলীগকেই বলে লুটেরা দল।হায়রে ওয়ার্কার্স পার্টি হায়রে দেবাশিষ প্রামানিক দেবু।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর