1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  7. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১০ অপরাহ্ন

নওগাঁতে ভুল অপারেশনে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ১ বার পড়া হয়েছে

আমিনুল জুয়েল, নওগাঁ

নওগাঁ শহরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে পাইলস রোগীর পিত্তথলী কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে জেলা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। তিনি প্রথমে ওই রোগীকে ভূল করে পিত্তথলী পাথরের অপারেশন করেন। এরপর আবার ওই রোগীর পাইলস অপারেশন করেন তিনি। এদিকে, একই রোগীর দুবার অপারেশনের ফলে ভূক্তভোগীর শারীরিক অবস্থা এখন সংকটাপন্ন।

ভূক্তভোগী রোগী আসমা খাতুন (২৫) জেলার বদলগাছী উপজেলার কাষ্টডোব গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী এবং তিনি দুই সন্তানের জননী বলে জানা গেছে। এই ঘটনাটি শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রুবির মোড় সংলগ্ন প্রাইম ল্যাব এ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে ঘটেছে।

রোগীর ভাই আতোয়ার রহমান জানান, তাঁর বোন আসমা একজন পাইলস রোগী। গত ১০ আগস্ট সোমবার সকালে পাইলস অপারেশনের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরের দিন বেলা একটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত নওগাঁ সদর হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুক্তার হোসেন, ওই হাসপাতালের অজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ক্লিনিকের মালিক ডাক্তার ইসকেন্দার হোসেন আসেন অপারেশন থিয়েটারে।

ওই দিন ক্লিনিকে আরও চারজন পিত্তথলীতে পাথরের রোগীকে অপারেশন করার জন্য প্রস্তুত করা হয়। সেখানে আসমা ছিল পাইলস অপারেশনের রোগী। এসময় ওই ডাক্তারা ভূল করে আসমাকেও পিত্তথলীতে পাথরের জন্য অপারেশন কার্যক্রম শুরু করেন।

পরে আসমা নিজেকে পাইলস রোগী বলে বাঁধা দিলেও ডাক্তারা কোন কথা না শোনেই তাঁকে অজ্ঞান করে। এর কিছুক্ষণ পরে ডাক্তাররা পিত্তথলীতে কোন পাথর দেখতে না পেয়ে সেলাই করে ৬ তলার ১৫ নং কেবিনে পাঠিয়ে দেয়। এরপরে ওই চার রোগীর পিত্তথলীর অপরেশন করার পর পাইলস রোগী না পেয়ে পুনরায় আসমাকে নিয়ে এসে পাইলস অপারেশন করেন ওই ডাক্তাররা।

একই ব্যক্তির দুইবার অপারেশন করায় বর্তমানে রোগীর শারীরিক অবস্থা অশঙ্কাজনক হয়ে পরেছে। এখন সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্লিনিকের মালিক ইসকেন্দার ও ডাক্তার মুক্তার হোসেন সটকে পড়েন।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কেউ মুঠোফোন রিসিভ করেনি।

এব্যাপারে নওগাঁর সিভিল সার্জন অফিসার ডাক্তার মো. আখতারুজ্জামান আলাল জানান, ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষ। পরে এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ক্লিনিকে ২০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে ২০০ শয্যা চালু রয়েছে। দু-একজন ডিপ্লোমাধারী নার্স নিয়ে চলছে চিকিৎসার নামে টাকা কামাইয়ের রমরমা ব্যবসা। এখানে প্যাথলজী বিভাগ চালু থাকলেও নেই কোন প্যাথলজিষ্ট। আবার এক্সরে মেশিন থাকলেও নেই বিধি-সম্মত অনুমোদন। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ক্লিনিকটি তাঁর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিনিয়তই ঘটছে অপ্রীতিকর দূর্ঘটনা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর