1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  7. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অপার সম্ভাবনাময় খাত – মন্ত্রী বৃক্ষের আচ্ছাদন ২৫ শতাংশে উন্নীতির লক্ষ্যে সরকার – পরিবেশ মন্ত্রী ঝিনাইদহে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিক্ষোভ মিছিল সোনাপুর হাই স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জাতি বিনির্মাণে মানুষের মনন তৈরিতে গণমাধ্যম অনন্য -তথ্যমন্ত্রী দেশব্যাপী কমিউনিটি পুলিশিং ডে উদযাপিত হচ্ছে শনিবার সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে মানবকন্ঠ’র ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণে ডিইউজের নিন্দা অসহায় শিশুর পাশে সোনাগাজী পৌর মেয়র এড.খোকন যশোরে ব্যবসায়ী মোস্তফা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আটক-২ রংপুরে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত এএসআই রাহেনুল গ্রেফতার

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা আদায়, ওসিসহ ৫ পুলিশের নামে মামলা

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মেহেদী হাসান

ঢাকার সিএমএম আদালতে ডিএমপির কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমানসহ ৫পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগী কাপরের ব্যবসায়ী সোহেল মিয়ার এক আবেদনে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান নোমানের আদালতে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত আবেদনের শুনানি শেষে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এছাড়াও পিবিআইয়ের একজন এএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্তভার দিতে নির্দেশ দেন আদালত। মামলাটিতে দণ্ডবিধি ৪২০/৪০৬/৫০৬/১০৯/৩৪/৩৮৫/৩৮৬/৩৪৭ ধারাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(১)(ক)(খ) ধারার অপরাধের বর্ননা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ২ আগস্ট আনুমানিক বিকাল ৪টার দিকে ডিএমপির কোতোয়ালি থানা এলাকার ওয়াইজঘাট (মসজিদ ঘাট) গুদারাঘাটে নেমে প্রধান সড়কে ওঠা মাত্রই কোতোয়ালি থানার এসআই পবিত্র সরকার, এসআই খালেদ শেখ, এএসআই শাহীনুর রহমান, কনস্টেবল মিজান ও তাদের সাথে থাকা সোর্স মোতালেব কাপড়ের ব্যবসায়ী সোহেলের গতিরোধ করে দেহ তল্লাশি করে। সোহেলের কাছে অবৈধ কিছু না পেয়ে তার পকেটে থাকা ২হাজার ৯০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। ব্যবসায়ী সোহেল তার টাকা ফেরত চাইলে পুলিশ সোহেলকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে এবং বলে তার নামে নাকি কোতোয়ালি থানায় জেএমবি মামলার ওয়ারেন্ট আছে। এসময় রাস্তায় লোকজন জড়ো হলে সোর্স মোতালেব ও কনস্টেবল মিজানের পকেট থেকে পৃথক দুই প্যাকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট বের করে জড়ো হওয়া পথচারীদের পুলিশ জানায় প্যাকেট দুটোতে ২১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট আছে। পরে সোহেলকে থানায় নিয়ে এসআই খালেদ ক্রসফায়ারের ভয় দেখায় ও পরিবারকে খবর দিয়ে তাদের সাথে দেখা করতে বলে। থানায় গিয়ে সোহেলের পরিবার ঘটনা জানার পর ওই রাতেই এসআই পবিত্র সরকার ও এসআই খালেদ, কনস্টেবল মিজান, এএসআই শাহীনুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে দেখা করে কথা বলে সোহেলকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য পরামর্শ দেন। পরে সোহেলের স্ত্রী এসআই খালেদ ও পবিত্র সরকারের সাথে ফোনে ও সাক্ষাতে একাধিকবার আলাপ আলোচনা করলে সোহেলকে ছাড়িয়ে নিতে ৫লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। অন্যথায় সোহেলকে মাদক ও জেএমবি বানিয়ে মামলা দিয়ে জেলে পাঠাবে পুলিশ। পুলিশের এমন বক্তব্যে নিরুপায় হয়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয় সোহেলের পরিবার। পরে থানা কম্পাউন্ডের ভিতর পবিত্র ও খালেদের হাতে নগদ ২ লক্ষ টাকা তুলে দেয় সোহেলের পরিবার। বাকি ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পরদিন ৩ আগস্ট সকালে এস আই খালেদ ও পবিত্রকে প্রদান করা হয়। পরে পুলিশ সোহেলকে সাধারণ ধারায় আদালতে প্রেরণ করে বিকেলে কিছু টাকা জরিমানা দিয়ে ছাড়িয়ে এনে পরিবারের কাছে তুলে দেন। এদিকে আদালতে ওই কাপড় ব্যবসায়ীকে প্রেরণের মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পুলিশ ঘটনাস্থলের তথ্য ভুল দেখিয়ে সোহেলকে আদলতে পাঠিয়েছে। সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বিকাল আনুমানিক ৪-৫টার সময় কোতোয়ালি থানার ওয়াইজঘাট মসজিদ ও আম্বিয়া টাওয়ার সংলগ্ন রাস্তায়। কিন্তু কোতোয়ালি থানা পুলিশ মূল ঘটনা ও ঘটনাস্থলের সঠিক তথ্য আড়াল করে নন এফআইআর এ প্রতিবেদনে মিথ্যা তথ্য বিবরণ উল্লেখ করেছে যে, মিটফোর্ড হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করে নাকি সোহেল মাদকদ্রব্য ও সিগারেট মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের সামনে সেবন করার অপরাধে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে ডিএমপির অধ্যাদেশ ১০০ধারায় গ্রেফতার করে ৮৯ধারায় আদালতে প্রেরণ করেছে। পরে ওই ভুক্তভোগী গতকাল আদালতে এ বিষয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্তরা কেউ কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর