1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  7. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

বাগাতিপাড়ায় এখনো নিয়ন্ত্রণহীন আলুর বাজার

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

ফজলুর রহমান। বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি।।

লাগামহীন আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে কেজিপ্রতি আলুর দাম সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে দাম ২৩ টাকা কেজি, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা আর খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হবে। এর অন্যথা হলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার জন্য জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন নাটোরের জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজ।

আরো বলা হয়েছিল আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ মাঠে থাকবেন। উল্লেখ্য, বুধবার কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে এই সিদ্ধান্তে দেশের সব জেলা প্রশাসককে এ ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে গত আলুর মৌসুমে প্রায় এক কোটি ৯ লাখ টন আলু উৎপাদিত হয়েছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, দেশে মোট আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ লাখ ৯ হাজার টন। এতে দেখা যায় যে, গত বছর উৎপাদিত আলু থেকে প্রায় ৩১ লাখ ৯১ হাজার টন আলু উদ্বৃত্ত থাকে। কিছু পরিমাণ আলু রপ্তানি হলেও ঘাটতির সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ।

‘আলুর মৌসুমে যখন হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে তখন প্রতি কেজি আলুর মূল্য ছিল সর্বোচ্চ ১৪ টাকা। প্রতি কেজি আলুতে হিমাগার ভাড়া বাবদ তিন টাকা ৬৬ পয়সা, বাছাই খরচ ৪৬ পয়সা, ওয়েট লস ৮৮ পয়সা, মূলধনের সুদ ও অন্যান্য খরচ বাবদ ২ টাকা ব্যয় হয়। অর্থাৎ এক কেজি আলুর কোল্ড ষ্টোরেজ পর্যায়ের সর্বোচ্চ ২১ টাকা খরচ পড়ে।’

চিঠিতে বলা হয়, সংরক্ষিত আলুর কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে বিক্রয় মূল্যের ওপর সাধারণত ২ থেকে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ যোগ করে ভোক্তার কাছে আলু বিক্রয় করা যুক্তিযুক্ত। এক্ষেত্রে হিমাগার পর্যায় থেকে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা মূল্যে বিক্রি করলে আলু সংরক্ষণকারীর ২ টাকা মুনাফা হয় বলে প্রতীয়মান হয়।

অন্যদিকে আড়তদারী, খাজনা ও লেবার খরচ বাবদ ৭৬ পয়সা খরচ হয়। সেই অনুযায়ী পাইকারি মূল্য (আড়ৎ পর্যায়) ২৩ টাকা ৭৭ পয়সার সঙ্গে মুনাফা যোগ করে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা দেয়া যেতে পারে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

একজন চাষীর প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ হয়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা জানিয়ে এতে আরও বলা হয়, এমতাবস্থায় হিমাগার পর্যায় থেকে প্রতি কেজি আলুর মূল্য ২৩ টাকা, পাইকারি/আড়তের এর মূল্য ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩০ টাকা হওয়া বাঞ্ছনীয়।

অথচ আজ শুক্রবার (১৬অক্টোবর) সকালে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা অযৌক্তিক ও কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মাসুম নামেরএকজন ক্রেতা বলেন, সরকারের নির্ধারণ করে দেওয়া দামে আলু বিক্রয়ের খবর টিভিতে দেখেছি কেন বেশি নেবেন এমন কথা আড়তদারকে বললেও কর্ণপাত না করে উল্টো ক্রেতাকে টিভি নিয়ে পড়ে থাকার কথা শুনিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ব্যপারে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর বাগাতিপাড়া উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ বলেন, অতিরিক্ত দামে আলু বিক্রি না করতে বলা হলেও বিক্রেতারা শুনছেননা।

এ ঘটনায় বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াঙ্কা দেবী পাল বলেন আমি অভিযোগ পেয়েছি, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো বলে জানিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর