1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  7. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৪ অপরাহ্ন

চান্দিনায় ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করলো মাদ্রাসার শিক্ষক

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আলিফ মাহমুদ কায়সার।
কুমিল্লা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার চান্দিনায় ১২ বছরের মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. ইউসুফ সোহাগ (৪০)। মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে তাকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।

মাওলানা মো. ইউসুফ দেবীদ্বার উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের সহিদুল ইসলাম এর ছেলে। তিনি চান্দিনাস্থ কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জামে মসজিদের ইমাম এবং চান্দিনা পল্লী বিদ্যুৎ রোডে দারুল ইহসান তাহফিজুল কোরআন কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও মুহতামিম।

মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা বিল্লাল হোসেন জানান, গত ২০১৯ সালে চান্দিনা পল্লী বিদ্যুৎ রোডের ওই মাদ্রাসায় আমার মেয়েকে ভর্তি করাই। গত ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) জানতে পারি ওই শিক্ষক আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। খবর পেয়ে আমি বিভিন্নভাবে খোঁজ নিয়ে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মানবাধিকারকর্মী ও কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন সরকারকে জানাই। তিনি মঙ্গলবার রাতেই ওই শিক্ষকসহ আমার মেয়েকে উদ্ধার করেন।

মাদরাসাছাত্রী জানায়, এক মাস পূর্বে ইউসুফ হুজুর জোরপূর্বক আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমি বিষয়টি অভিভাবককে জানাতে চাইলে তিনি আমাকে ভয়-ভীতি দেখান। পরবর্তীতে তিনি সুযোগ পেলেই আমার সাথে ‘খারাপ কাজ’ করতেন। মঙ্গলবার আমাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে জোর করে ঢাকায় নিয়ে যান।

কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন সরকার জানান, ওই শিক্ষক এ পর্যন্ত ৪টি বিয়ে করেছেন। এখনও তার ২ স্ত্রী বর্তমান। কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে শিশু ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে জিম্মি করে ধর্ষণের আরো বহু অভিযোগ আছে। মেয়েটির বাড়ি আমার গ্রামে। মেয়েটির বাবা মঙ্গলবার আমাকে বিষয়টি জানালে আমি দেবীদ্বার ইউএনও ও ওসিকে জানিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি করি।

দেবীদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, শিশু মেয়েটির ও মাদরাসাশিক্ষকের বাড়ি দেবীদ্বার থানা এলাকা হলেও ঘটনাস্থলটি চান্দিনা থানা এলাকায়। এ বিষয়ে চান্দিনা থানায় আইনি ব্যবস্থা নেবে।

চান্দিনা থানার ওসি শামসউদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এখন জানতে পেরে ওই মাদরাসাশিক্ষকসহ মেয়েটিকে থানায় এনেছি। বিস্তারিত জেনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর