1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  7. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০২ অপরাহ্ন

শরীয়তপুরের টিটু হত্যা মামলায় জাহিদ গ্রেফতার

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

শরীয়তপুর জেলা গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ আঃ জলিল সরদারের ছেলে ইলিয়াস কাঞ্চন টিটু্র রহস্যজনক মৃত্যু হয় গত ৪ই সেপ্টেম্বর রাতে। ৫ই সেপ্টেম্বর সকালে টিটুর স্ত্রী মিলি বেগম তার শয়নকক্ষে টিটুর লাশ দেখতে পায় পরে নিহতের পিতা বাদি হয়ে একই দিনে গোসাইরহাট থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। মামলা নং ১৮ তাং ০৫/০৯/২০২০ ইং পরে গত ১৮ই সেপ্টেম্বর একেই থানায় ১৩ জনকে আসামী করে আরেকটি হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার কামিল তৃতীয় বর্ষের ছাত্র জাহিদ খাঁনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন গোসাইরহাট থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত জাহিদ খাঁন গোসাইরহাট থানার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ছোট কাচনা এলাকার মৃত আঃ মান্নান খাঁনের ছোট ছেলে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায় ডাঃ আঃ জলিলের ছেলে ইলিয়াস কাঞ্চন টিটুর মৃত্যু হয় ৪ই সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মৃত্যুর পর শুরু হয় নানা গুঞ্জন। লোকমূখে বলাবলি হয় স্ট্রোক করে মারা গেছে আবার কেউ অপমৃত্যু সহ হত্যা কান্ড হয়েছে। এই বিষয়ে ডাক্তার আঃ জলিলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ছেলের মৃত্যুর সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং আমি নিজে বাদী হয়ে গোসাইরহাট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করি। পরবর্তীতে আমার বাড়ির লোকজনের সাথে কথা বলে আমার সন্দেহভাজন ব্যাক্তিদের নামে আরেকটি মামলা করার জন্য থানায় গেলে থানা পুলিশ মামলা নিতে রাজি না হওয়ায় আদালতের সাহায্য নিয়ে অনুমতি এনে ১৩ জনকে আসামী করে একই থানায় আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করি যার মামলা নং ০৯ তাং ১৮/৯/২০২০ইং এই হত্যা মামলায় দুই নাম্বার আসামী জাহিদকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ বাকি ১২ জন পলাতক রয়েছে । আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই আমার পরিবারের কেউ যদি জড়িত থাকে তাকেও আইনের আওতায় আনাহোক।

এদিকে ১ ও ২ নং আসামী পক্ষের পরিবারের দাবী তারা এই ঘটনার সাথে জড়িত নন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাদেরকে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি জাহিদের মা বলেন আমার ছেলে কখনো মানুষ মারতে পারেনা রাজনীতি নিয়ে আমার বড় ছেলে মোজাম্মেলের সাথে বিরোধ চলছিল সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ জলিল সরদারের সাথে। প্রতিহিংসার জেরে আমার ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। আমি আমার ছেলের মুক্তি সহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় তারা বলেন জাহিদ খাঁন একজন ভদ্র ও মেধাবী ছেলে, সে ঢাকা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে, মসজিদ নির্মানের কাজ চলছে তাই সহযোগীতা করার জন্য গ্রামে আসছে। সে কখনো হত্যা কান্ড করার মত এরকম কাজ করতে পারে না। রাজনৈতিক বিরোধের কারণেই তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

এ বিষয়ে গোসাইরহাট থানার ওসি সোয়েব আলী মুঠোফোনে বলেন টিটুর মৃত্যুর পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার দিন নিহতের পিতা ডাঃ জলিল সরদার নিজে বাদি হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করে। পরে আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে ১৩ জনকে আসামি করে আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করে । মামলার দুই নং আসামী জাহিদ কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

আসামিপক্ষের অভিযোগ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার আগেই একই ঘটনায় একজন বাদী হয়ে একেই থানায় দুটি মামলা কিভাবে হয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পরবর্তীতে মামলাটি করা হয়েছে।
হত্যা মামলার ১৩ জন আসামীদের খোঁজ নিলে জানা যায় ৯ জন ঢাকাতে থাকেন। তারা হত্যা কান্ডের সঙ্গে জড়িত নন। এমন ঘটনা বিষয়ে তারা অবগত নন। মামলা হওয়ার পরে তারা জানতে পারেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর