1. admanu3@gmail.co : IT Admin : IT Admin
  2. admanu3@gmail.com : admanu :
  3. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  4. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  5. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  6. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  7. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  8. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

নারীর ইজ্জতের সাথে জীবনটাও যায় যায়, ওসি ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের নামে মামলা

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথমে গনধর্ষণের শিকার এরপর ন্যায় বিচারের আসায় থানায় মামলা। তবে মামলা করেও হয়নি কোন সুরাহা। উল্টো ধর্ষিতা নারীর ইজ্জতও গেছে এখন তার জীবন নিয়েও চলছে টানাটানি। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা এলাকায়। গন-ধর্ষন মামলার আসামীদের গ্রেফতার না করে উল্টো আসামীদের পক্ষ নিয়ে তাদের হাতে মামলার বাদি ও ভিক্টিমকে তুলে দিয়ে অপহরনের সহায়তা করায় ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জের অফিসার ইনচার্জ শাহ জামান, ওসি তদন্ত আশিকুজ্জামান, পার গেণ্ডারিয়া পুলিশ ফাড়ির ইন্সপেক্টর শাহাদাত হোসেন, ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিঃ এর এমডি তুহিন রেজা, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও শুভাঢ্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেনসহ মোট ৭জনের বিরুদ্ধে “বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং ৪ এ মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ভিকটিম রুপা (ছদ্মনাম)। মামলাটির ধারা ধারাঃ নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৮/ ৩০। মামলা সুত্রে জানা গেছে গত ৩০সে জুন বিকেলে গন-ধর্ষণের শিকার হয় রুপা (ছদ্মনাম) নামের এক নারী।
চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে রুপার বাসায় গিয়ে গন-ধর্ষণ করে অপরাধীরা। এবিষয়ে রুপা বাদি হয়ে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ আইনে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামি হলেন জনি(৩৪), আইয়ুব আলি (৩৫), তুহিন রেজা (৪০), আব্দুল জব্বার (৪২), বিল্লাল (৩৪)। ঘটনার সাথে জড়িত এক অপরাধীকেও গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। তবে ঘটনার মোর নিতে থাকে এরপর থেকেই। মামলার অন্যন্ন আসামীরা প্রকাশ্যে ঘোরাঘোরি করলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে আসামীদের বিষয়ে কোন আইনি পদক্ষেপ না নেয়ায় মহা-পুলিশ পরিদর্শক বরাবরে একটি আবেদন করেন ভিকটিম রুপা। এরপর থেকেই ধর্ষণ মামলার আসামীরা রুপাকে মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে গুম খুনের খুমকি দিতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় ২১ জুলাই সকাল ৯টায় রুপাকে অস্ত্রের মুখে হুমকি দিয়ে তার ২ শিশু কন্যাকে তার নিজ বাসায় তালাবদ্ধ করে ২লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে আসামীরা। পরে নগদ ১০হাজার টাকা নিয়ে রুপাকে অপহরন করে নিয়ে যায় তারা। বিষয়টি ততখানিক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কেরানীগঞ্জ থানার ওসি, ওসি তদন্ত ও ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী অফিসারকে অবগত করে রুপা। তবে রুপাকে পুলিশি নিরাপত্তা না দিয়ে তাদের সাথে যাওয়ার পরামর্শ দেয় থানা পুলিশ। সেখান থেকে রুপাকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় শুভাঢ্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামীলিগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন কেরানীগঞ্জ থানার তেলঘাট এলাকায় একটি অফিসে। তারপর ইকবালের নির্দেশে রাহাত ডাকাত নামের এক ব্যক্তিসহ অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসীরা একটি গাড়িতে তুলে পল্টন থানা এলাকার বিজয় নগর সাইমন স্কাইভিউ টাওয়ারের ৭তলার একটি অফিস কক্ষে প্রায় ৩ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সেখানে ইকবাল চেয়ারম্যান, জিএম সরোয়ার, রাহাত ও তুহিন রেজা রুপাকে দিয়ে তাদের মিথ্যা শিখানো কিছু কথাবার্তা ভিডিও ধারন করে এবং মামলা তুলে না নিলে রুপাসহ সকল সাক্ষিদের নামে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাসানোর হুমকি দিয়ে ছেরে দেয়া হয়। এরপর ২৩ জুলাই একই ভাবে আবারো ইকবাল চেয়ারম্যানদের হুকুমে রুপাকে তুলে নিয়ে যায় মামলার আসামীরা। রুপাকে এবার নেয়া হয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরনীর আক্রাম টাওয়ারের ৭তলায় একটি কক্ষে। এরপর সেখান থেকে বেশ কয়েক যায়গায় স্থান বদল করে রুপাকে নিয়ে যাওয়া হয় রমনা থানা এলাকায় তুহিন রেজার একটি মদের আখরায়। এবং রুপাকে মামলা তুলে নিতে আদালতে যেতে যেতে বলে ধর্ষণ মামলার আসামীরা। এবং ২২ধারায় আদালতে আসামীদের পক্ষে জবানবন্দী দিতে চাপ প্রয়োগ করে ইকবাল চেয়ারম্যান, তুহিন রেজা, জিএম সরোয়ার। তাদের কথা মত কাজ না করলে রুপার শিশু সন্তানদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এরপর ২৬ জুলাই কেরানীগঞ্জ থানার ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী অফিসার ইন্সপেক্টর শাহাদাত হোসেন রুপার বাসায় গিয়ে রুপাকে সন্ত্রাসিদের হাতে তুলে দেন আদালতে নেয়ার জন্য। পরে রুপাকে আদালতে নিয়ে বেশ কিছু কাগজে সাক্ষর নিয়ে এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাসায় পৌছে দেয়। এবং তারা জানায় রুপার ধর্ষণ মামালা তুলে নেয়ার প্রসেস চলছে। এবিষয় সকল ঘটনা উল্লেখ করে রুপা আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
এবিষয়ে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ জামান বাংলাদেশের আলোকে জানান, দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানায় রুপা (ছদ্মনাম) একটি গন-ধর্ষণ আইনে মামলা করেছে। এবং সেই মামলার এক আসামিও গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পুলিশের নামে কোন মামলা হয়েছে কিনা তা তাদের (ওসি) জানা নেই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর