1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. mrahman192618@gmail.com : মশিউর রহমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : মশিউর রহমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  7. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  8. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১১ অপরাহ্ন

টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়েনা সমেশ আলী!!

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক।।

ফেনী জেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সদর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী সমেশ আলীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঠিকাদারদের বিল উত্তোলনে বিভিন্ন খাতের জন্য ঘুষ/ উপরি টাকা না দিলে বিলের কাগজে স্বাক্ষর না করার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ঠিকাদারদের বেশ অভিযোগ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদার জানায়, প্রতিটি টিউবওয়েলের বিল পাশের জন্য ১ হাজার টাকা, পানি পরিক্ষার জন্য প্রতিটি টিউবওয়েলের জন্য ৫শত টাকা, বোর লকের জন্য( স্তরের বালু টেস্টের জন্য) ১শত টাকা করে, ম্যাকানিকদের নামেও প্রতিটি কল বাবদ ৩শত টাকা করে দিতে হয় আমাদেরকে। সর্বোপরি প্রতিটি টিউবওয়েলের বিল পাশের জন্য এই উপ-সহকারী সমেশ আলীকে সর্বমোট ১৯শত টাকা করে উপরি দিতে হয়।

ঠিকাদার আরো জানায়, প্রকল্পের বরাদ্দের শতকরা ৫০ ভাগ থাকে এমপি মহোদয়ের নামে এবং বাকি ৫০ ভাগ থাকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নামে।

এমপি মহোদয়ের ৫০ভাগের তালিকায়ও বিলের জন্য উপসহকারী প্রকৌশলী সমেশ আলীকেও টাকা দিতে হয়। অথচ এমপি মহোদয়ের এ তালিকায় কখনো এক টাকা বা কোন প্রকার কমিশন এমপি মহোদয়কে দিতে হয়নি কিন্তু এ তালিকার বিলের জন্য তালিকা জমা দিলে প্রতিটি টিউবওয়েলের জন্য তাকে টাকা না দিলে বিলের ফাইল পাস হয় না।

সদর উপজেলায় যোগদানের পর হতে এখন পর্যন্ত এমন কর্মকান্ডেই অব্যস্থ সমেশ আলী। ঠিকাদারদের দাবি, কোন প্রকার বিধিবিধানের বালাই নেই এই সমেশ আলীর কাছে। গত আগষ্ট মাসে ফেনী সদর উপজেলা হতে চাঁদপুরে বদলী হলেও কেন এক অদৃশ্য শক্তির মাধ্যমে সেই বদলীর নির্দেশ আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশ করিয়ে সে এখন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। দাম্ভিকতা দেখিয়ে ঠিকাদারদের সামনে এমন বলতে শুনাযায়, আমাকে ঠিকাদারেরা এখনো চিনতে পারে নাই। আমার ক্ষমতা সম্পর্কে ওদের কোন ধারনাই নেই।

ভুক্তভোগী ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সমেশ আলীকে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখা হয়। ঠিকাদারী করি বলেই আমরা সমেশ আলীর কাছে জিম্মি।

এসকল অনিয়মের বিষয়ে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ মোসলেহ উদ্দিন কার্যালয়ে না থাকায় টেলিফোনে তিনি জানান, আমার নিকট এমন কোন অভিযোগ আসেনি তবে লিখিত কোন অভিযোগ আসলে নিশ্চয়ই এবিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর