1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. mrahman192618@gmail.com : মশিউর রহমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : মশিউর রহমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  7. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  8. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
ফেনী সদর উপজেলায় গভীর নলকূপ স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক প্রথম সংবাদ
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চবি’তে ভর্তি পরীক্ষা হবে সরাসরি-সশরীরে বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূর্ত প্রতীক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কিশোরগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ইউপি চেয়ারম্যান চুনারুঘাট ইউএনও’র সাথে অনলাইন প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় ডিসেম্বর পর্যন্ত এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত – জেলা প্রশাসক রাজাপুরে ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন মণিরামপুরে মামা কর্তৃক আপন ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগ চরফ্যাশনে সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার চেক বিতরণ করের হাট ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে পূঁজামণ্ডপ পরিদর্শণ রূপগঞ্জে পূজামণ্ডপের পাশে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে আটক ১

ফেনী সদর উপজেলায় গভীর নলকূপ স্থাপনে অনিয়মের অভিযোগ

প্রথম সংবাদ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদকঃ

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত ২০১৮-২০১৯ ইং সালের আর্সেনিক প্রকল্পের কাজের টিউবওয়েল বরাদ্দে নানা প্রকার অনিয়মের কথা জানিয়েছে এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগীরা প্রতিবেদকের সাথে কথা বলাকালীন সময় জানায়, এক একটি টিউবওয়েল স্থাপনের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে ঠিকাদার ও তাদের লোকজন ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। পাশাপাশি টিউবওয়েল স্থাপনের ঠিকাদারদের লেবারদের তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থাও করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এছাড়াও প্রতিটি টিউবওয়েলের সাথে একটি মোটর, ৫০০ লিটার পানি ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ট্যাকিং, টিউবওয়েলের স্থানটি পাকাকরন। এসকল কিছুই না করে কোনটিতে টিউবওয়েলের পাইপ বসিয়ে এক বছর পার করে দিয়েছে।

এছাড়াও অভিযোগের অন্তনেই গ্রাহকদের। উল্লেখ্য যে, নলকূপ না বসিয়ে গ্রাহক তৈরি, জামানতের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলন, নলকূপের প্লাটফর্ম তৈরি না করাসহ বিভিন্ন খাতের অনিয়মের অভিযোগ শুনতে পাওয়া যায়।

আর্সেনিক প্রকল্পের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলীর অধীনে এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। তাছাড়া নলকূপ স্থাপন করে দু-একটিতে প্লাটফর্ম করে বাকীগুলো তৈরির কাজ এখনো শেষ হয়নি।

অভিযোগ উঠেছে, প্লাটফর্ম না করেই তার বিল উত্তোলন করে নিয়েছেন অফিসের সাবেক ও বর্তমান কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী।
সরেজমিনে সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, কিছু নলকূপ অযত্নে ময়লা আবর্জনার মধ্যে পড়ে রয়েছে।

আবার কোনো কোনো নলকূপের মালিকেরা নিজস্ব অর্থায়নে প্লাটফর্ম তৈরি করেছেন। এসব নলকূপের কোনো কোনটাতে আবার পানিও উঠে না। মরিচিকা পড়ে রয়েছে।
উপজেলার কালীদাহ ইউনিয়নের মাইঝবাডীয়া গ্রামের বেশ কয়েকজন গ্রাহক নানা প্রকার হয়রানি ও ক্ষেভের কথা জানায়। এদিকে উপজেলার মাইঝবাডীয়া এলাকায় নলকূপের পাইপ বসানো হলেও দেয়া হয়নি কল, মোটর, ট্যাকিং ও পাঁকা করন।

এছাড়াও উপজেলার সকল ইউনিয়নে টিউবওয়েল স্থাপন হলেও অভিযোগের শেষ নেই ঠিকাদার, মধ্যস্তাকারী দালাল ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর বিরুদ্ধেও।

সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সমেশ আলীর নিকট টিউবওয়েলের বরাদ্দ ও স্থাপন সম্পর্কিত তথ্য ও তালিকা চাইলেও সময় ক্ষেপন করিয়ে তথ্য না দিয়ে তিনি এডিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে যান।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ঠিকাদার এসকল টিউবওয়েল স্থাপনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জামাল এন্ড ব্রাদার্স। এই জামাল এন্ড ব্রাদার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে কাজ করছে আলী আশরাফ আরিফ নামের এক সাব ঠিকাদার।

ঠিকাদার আলী আশরাফ জানায়, ফেনী সদর উপজেলায় আমি কাজ করছি, কিন্তু ফকরুল নামের কোন ব্যক্তি আমার সাথে কাজ করে না। আমি শুনতে পেরেছি, সে অন্য ঠিকাদারদের সাথে কাজ করে। কিন্তু মাইঝবাডীয়া এলাকায় গিয়ে ফকরুলের ছেলে সোহাগ এর কাছ থেকে জানতে পারা যায়, তার পিতা ও সে ঠিকাদার আরিফ’র টিউবওয়েল বসানোর কাজ করে।

এমন অভিযোগের খোঁজে নানা স্থানে খবর নিয়ে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোসলে উদ্দিন’র সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি জানান, এমন অভিযোগ গুলো আমিও নানাভাবে শুনতে পাই, কিন্তু লিখিতকারে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসে না। যার কারনে আমরা এমন অভিযোগের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থাও নিতে পারিনা। টিউবওয়েল স্থাপনের প্রতিটি স্থান পরিদর্শনের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশল জানান, প্রতি উপজেলায় একজন করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী থাকেন, তিনিই এসব দেখাশুনা করেন। তবে এমন কোন অভিযোগের কথা উপজেলা প্রকৌশলী আমাকে জানায়নি।

ঠিকাদারদের বিষয়ে, নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, বিভন্ন সময়ে এসকল ঠিকাদারেরা এক প্রকার প্রভাব খাঁটিয়ে কাজ করে বিধায়, আমরাও কিছু বলতে পারি না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর