পেকুয়ায় লবণ চাষীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৩

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালীতে লবণ চাষীদের উপর কয়েক ইউনিয়নের বহিরাগত লোকজন মিলে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।
(২০জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৩০মিনিটের দিকে রাজাখালী ইউনিয়নের লালজান পাড়া চাষী মাহবুবুল আলমের লবণ মাঠে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় কৃষক জাফর আলম, মাহবুব আলম, জহির আলম আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জাফর আলমের অবস্থা গুরুতর, তাঁর হাড় ভেঙ্গে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। চিকিৎসক জাফর আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেফার করে। বাকি দুইজনকে আপাতত উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আহত জাফর আলম, মাহবুব আলম, জহির আলম লালজান পাড়া এলাকার মৃত বজল আহমদের পুত্র।
একই এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার পুত্র যুবদল নেতা খোরশেদ আলমের নেতৃত্ব বিভিন্ন ইউনিয়ন ভাড়াটিয়া লোক নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটায়।
অন্য অভিযুক্তরা হলেন,টৈটং শের আলী মাস্টার পাড়া এলাকার আবুল হোছাইনের ছেলে শাহাব উদ্দীন(৩০),জমির উদ্দিন (২১),আলী আহম্মদ (২৩),।
মগনামা ইউনিয়নের নাছির উদ্দীনের পুত্র সালাহ উদ্দীন (২২),ও নাছির উদ্দীন(৩৮),রাজাখালী ইউনিয়নের রায়বাপের পাড়া এলাকার রেজাউল করিম(৩৮),অজ্ঞাত ১২/১৪জন মিলে এই হামলায় অংশ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাঁশখালীর মৃত নুরুল হক গং ও খোরশেদ আলম গংয়ের মাঝে বিরোধ দেখা দিয়ে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। উভয় পক্ষে জায়গা গুলো ইউনিয়ন পরিষদের দারস্থ হলে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ জায়গার জিম্মা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বাহিরের চাষী নিয়ে লবণ মাঠ লাগিয়ত করে টাকা জমা রেখে পরবর্তীতে বৈধ মালিকের কাছ টাকা বুঝিয়ে দিবে এমন সিদ্ধান্ত হয়। নিরপেক্ষ চাষী মাহবুব আলম গংকে চাষ করার জন্য দেওয়া হয় কিন্তু আজ খোরশেদ আলম গং অতর্কিতভাবে তাদের উপর হামলা করে গুরুতর জখম মাহবুব আলম গংকে।
রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল বলেন, এটা ইউনিয়ন পরিষদের রিসি বারের জায়গা,শুনেছি খোরশেদ ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে তাদের উপর হামলা করেছে, এটা খুবই নাক্কার জনক। বহিরাগত লোকজনের হামলায় কয়েক জন গুরুতর আহত হয়েছে।
এই বিষয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত তাজ উদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

#প্রথম সংবাদ

- Advertisement -

সর্বশেষ সংবাদ