ভালুকায় পিডিবির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকায় পিডিবির এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় ভূক্তভোগী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অীভযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), ভালুকার বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগে প্রকৌশলী হিসেবে মো. হামিদুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করতে নারাজ। বিশেষ করে ভালুকা থানা এলাকার খারুয়ালী ও মামারিশপুর এলাকার সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন মিটার বরাদ্দ, কিলোওয়াট বাড়ানো ও মিটার পরিবর্তনের জন্য গেলে বিভিন্ন কৌশলে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তাছাড়া ভূয়া বিল বানিয়ে গ্রাহকদের দিয়ে পরিশোধ করে নিজের পকেট ভারি করছেন। অভিযোগ রয়েছে, হামিদুল ইসলাম অফিস নিয়মিত না করেও উপর মহলের দোহাই দিয়ে এমনকি বিভিন্ন হুমকী দমকী দিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের সাথে খারাপ আচরণসহ অফিস থেকে বের করে দেন।

জানা যায়, মামারিশপুর গ্রামের বর্তমান মেম্বার হারুন অর রশিদের নামে ভূয়া বিদ্যুৎ বিল তৈরী করে তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাত করেছেন। তাছাড়া একই এলাকার হেচারী চাষী মকবুল হোসেনের সাথে একই ধরণের প্রতারণা করেছেন হামিদুর রহমান।

ফলে ‘সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাই প্রকৌশলী মো: হামিদুল ইসলামের দূর্নীতির লাগাম টেনে ধরা না গেলে এমনকি তাকে বিচারের আওতায় আনা না হলে সরকার হারাবে বিপুল অঙ্কের রাজস্ব এবং কমবে গ্রাহক সেবা, সঠিক বকেয়া ও কমবে সিস্টেমলস।

এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ও দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী হামিদুরের বদলীসহ তার বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য এলাকাবাসি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অীভযোগ দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে প্রকৌশলী মো: হামিদুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে কথা বললে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়।

#প্রথম সংবাদ

- Advertisement -

সর্বশেষ সংবাদ