কুলিয়ারচরে জেলখানা থেকে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাযায় বিএনপি নেতা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ফরিদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শামসুল হক(সামসু মিয়ার) এর মমতাময়ী মা চাঁনবানু ( ৯২) গত বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ ঘটিকার সময় না ফেরার দেশে চলে যান ( ইন্না লিল্লাহ…… রাজিউন) । গর্ভধারণী মা এর মৃত্যুর সময় শামসু মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী ছিল। গত ৯ ডিসেম্ভর কুলিয়ারচর থানা পুলিশ মামসু মিয়াকে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ অফিসে ভাংছুর ও ককটেল বিস্ফোনের মামলায় সন্দেহযুক্ত আসামী হিসেবে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যে কারাগারে প্রেরণ করেন।
এই অবস্থায় বৃহস্প্রতিবার (২২ ডিসেম্ভর) সকালে কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জি আর আদালত নং ২ এ মায়ের মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করে জামিনের আবেদন করিলে বিজ্ঞ আদালত মা এর জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য মানবিক কারণে ৭ দিনের অন্তর্বর্তী কালীন জামিন মঞ্জুর করে মুক্তির আদেশ দিলে দুপুরে তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বিকাল সাড়ে ৪ ঘটিকায় মায়ের নামাজে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন।
সামসু মিয়ার মা এর নামাজে জানাযায় কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান হান্নান সহ ফরিদ পুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহন করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
মামসু মিয়ার মা এর মৃত্যুতে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ শরীফুল আলম গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
উল্লেখ্য গত ৩ ডিসেম্বর সোয়া ১২ টায় উপজেলার জাফরাবাদ গ্রামের আবু তাহেরের পুত্র নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে আওয়ামীলীগ অফিসে ভাংছুর ও ককটেল বিস্ফোনের অভিযোগ করে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৩-ক/৪ তৎসহ দন্ডবিধি আইনের
১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪৩৬/৪০৭ ধারায় এই মামলাটি দায়ের করেন।যাহা কুলিয়ারচর থানার মামলা নং ১ তারিখ ৩/১২/২০২২ ইং।

#প্রথম সংবাদ

- Advertisement -

সর্বশেষ সংবাদ