নীলফামারীতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম,পরীক্ষা বাতিলের দাবী

নিয়োগ বিধির তোয়াক্কা না করেই অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্য দিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার দুহুলী দ্বী-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে লোক দেখানো পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন ডিজি প্রতিনিধি সহ নিয়োগ কমিটির সদস্যরা। সেইসাথে একটি মাত্র পদে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার নিয়োগ বানিজ্য হয়েছে বলে জানান ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা। তাই এ নিয়োগ পরীক্ষাকে বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবী তাদের।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর/২২) সকাল সাড়ে দশ টায় নীলফামারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই পদের জন্য ৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষায় ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন নীলফামারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসি আসরাফী।
উক্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারীরা হলেন, ১। মোঃ ফাহাত মুহতাসিন মাহামুদ ২। সুইট রায় ৩। এ কে এম মনিরুল হাসান ৪। মদন মোহন রায় ৫। আব্দুর রাজ্জাক।
দেখা যায়, পরীক্ষা চলাকালীন প্রবেশ পত্রে পরীক্ষার্থীদের ছবি না থাকলেও লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন করেন তারা। এছাড়াও ল্যাবে ব্যাবহারিক পরীক্ষা না নিয়ে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমেই শেষ করে কমিটির নির্ধারিত ২ নং পরীক্ষার্থী সুইট রায়কে প্রথম নির্বাচিত করা হয়। এছাড়াও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে পরীক্ষার দিন তারিখ লিখিত ভাবে অবহিত করার কথা থাকলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ সেটিও করেন নাই।
অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে দুহুলী দ্বী-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জল হোসেন পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে দ্রæত চলে যায়।
অর্থ লেনদেন ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল গফুর বলেন, ৫ জন পরীক্ষার্থী আজকে পরীক্ষা দিবে আমি এটুকুই জানি। অর্থ লেনদেনের বিষয়ে আমি জানি না। পরীক্ষা শেষ করে রেজুলেশন করা হবে।
অনিয়মের বিষয়ে জানতে ডিজি প্রতিনিধি ফেরদৌসি আসরাফী বলেন,প্রবেশ পত্রে ছবি না থাকলেও আমরা মৌখিক পরীক্ষায় ফাইলের ছবি মিলিয়ে দেখেছি। এছাড়াও ল্যাবে ব্যাবহারিক পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করে বলেন, এটি আমাদের ভুল হয়েছে।
জেলা মাধ্যমিক অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার গ্রহণে আগে আমাকে অবশ্যই লিখিত ভাবে জানাতে হবে কিন্তু আমাকে তারা জানায়নি। তাই বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

#প্রথম সংবাদ

- Advertisement -

সর্বশেষ সংবাদ