রবিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২২
রবিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২২

বদরগঞ্জে সংবাদপত্রের হকার মাহবুব’র পাশে নেই কেউ

রংপুরের বদরগঞ্জে সংবাদপত্রের হকার মাহবুবুর রহমান পরিবার নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কিন্তুু কেউ অসহায়
মাহবুব কে সহযোগিতায় এগিয়ে আছেন না বরং হতদরিদ্র বলে প্রভাবশালী কাফিমন্ডল পাত্তায় দিচ্ছেন না।কাফি মন্ডল পৌরসভার নারী কাউন্সিলর শাহনাজ
পারভীন শেলীর স্বামী।

মাহবুবের পুলিশ ও ইউএনও বরাবর অভিযোগ সূত্রে,জানা গেছে ২০০৮ সালে পৌরশহরে ফেসকিপাড়া
গ্রামে তার জমানো কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে কাফি মণ্ডল ও নারী কাউন্সিলর শাহনাজ পারভীন শেলির নিকট হতে
জমি কিনে সেখানে সেমিপাকা বাড়ি নির্মান করে
পরিবার সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছেন কিন্তু অজ্ঞত কারণে প্রভাবশালী কাভি মন্ডল তাকে ও তার পরিবার বৃদ্ধা মা সহ সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।বর্তমান হকার মাহবুব বৃদ্ধা মা ও পরিবারকে নিয়ে
রেলওয়ে বস্তিতে জীর্ন ঘরে বসবাস করছেন।আর
ফেসকি পাড়ায় তার নির্মাণাধীন বাড়িটি এখন জরাজীর্ণ ও স্যাঁতস্যতে আবর্জনায় চারপাশে আবদ্ধ করে রেখেছে।ফেসকিপাড়া গ্রামে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন ২০০৮ সালে হকার মাহবুব কাফি মন্ডল নিকট হতেজমি কিনেন বর্তমানে জমির দাম দ্বিগুন বেড়ে যাওয়ায় তিনি আর অসহায় মাহবুবকে জমিতে উঠতে দিচ্ছেননা।বিষয়টি অমানবিক। বিষয়টি এমপি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমি।

মাহবুবের অমানবিক বিষয়টি নিয়ে গত ২১/১১/২২ইং
তারিখে মাননীয় মেয়র মহোদয় বাসভবনে এক বৈঠক বসে সেখানে বিভিন্ন সাংবাদিকগন ও জমি ফিরিয়ে না দেওয়া ব্যক্তি কাফিমন্ডলসহ তার লোকজন এবং তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া বদরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মেহেদী হাসান উপস্হিতিতে মেয়রের সামনে হকার মাহবুব কে মাত্র
2 লক্ষ টাকা দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা চালিয়ে যান কাফি
মন্ডল সমঝোতায় মাহবুব অপরাগত প্রকাশ করলে বৈঠকটি অমিমাংসিত ভাবেই সমাপ্তি হয়।

এবিষয়ে হকার মাহবুব বলেন,আমি ১৫ থেকে ২০বছর
যাবৎ রোদ বৃষ্টি ঝড় উপেক্ষা করে বদরগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ওসুশিলসমাজ বিভিন্ন পেশার মানুষ কাছে পত্রিকা বিলি করি আজ আমার পাশে
কেউ নেই আমি বড় অসহায়। হকার মাহবুব আরো বলেন,কাফিমন্ডল নিকট থেকে জমি কিনে ছয় লক্ষ
টাকা দিয়ে বাড়ি করেছি।তিনি বাড়ি লিখে না দিয়ে
টালবাহানা শুরু করছে আমি বিভিন্ন জায়গায়
অভিযোগ দিয়ে কোন ফল পাচ্ছি না। মেয়র কাফি মন্ডল পক্ষ নিয়ে বলেন,দুইলাখ টাকা দিয়ে চলে যেতে
বলেন।এছাড়াও তিনি বলেন তোমারতো কোন ডকুমেন্ট নাই তোমাকে দুই লাখ দেওছে এটা নিয়ে যাও
আর বাড়ি ভেঙে নিয়েআসো।এসময় মাহবুব অসহায় মতো বলেন, জমির টাকা না দিলে কেউ কি জমিতে
দালান তুলতে পারে আমি আল্লাহ কাছে বিচার চাই।

মানবাধিকর কর্মি লোটাস বলেন,বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক একজন গরীব মানুষ সঙ্গে এভাবে টালবাহানা এটা শোষন ছাড়া আর কিছু নায় বিষয়টি মাননীয় এমপি স্যারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

জানতে চাইলে মেয়র মহোদয় বলেন,জমির মালিকের পক্ষ নেওয়ার কিছুই নেই তার জমি না দিলে আমার
করার কিছুই নেই।

কাফি মন্ডলের মুঠোফোন কল দিলে তা ধরেননি।

বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক এস আই মেহেদী হাসান
বলেন,হকার মাহবুবের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই সেখানে মাহবুবের বাড়ি করার সত্যতা পেয়েছি।জমির
মালিককে থানায় ডাকা হয়েছে। এসআই মেহেদী আরো বলেন,ফেসকিপাড়ায় লোক মুখে আমি শুনেছি জমি কিনতে মাহবুব টাকা দিয়েছিল।বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সাংবাদিক ও মানবাধিকার সদস্য।

সর্বশেষ সংবাদ