শনিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২২
শনিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২২

নানা আয়োজনে ৪৪তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন

প্রতিষ্ঠার ৪৩ বছর পেরিয়ে ৪৪ বছরে পা রেখেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। আজ সোমবার নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ৪৪ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করেছে কর্তৃপক্ষ।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শ্রদ্ধায় মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন, এবং সেখানেই পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

এসময় প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা মঞ্চে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ. এম. আলী হাসান। আলোচনা সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা মঞ্চে কেক কাটা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলার সভা-কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক সমিতি ও রিপোটার্স ইউনিটির সাংবাদিকদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, সকল অফিস প্রধান এবং সকল সমিতির প্রতিনিধিদের নিয়ে ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছরের অগ্রগতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মসজিদ, আবাসিক এলাকার মসজিদ ও সকল হল মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘জ্ঞান অর্জন গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মানবতার প্রতি দায়িত্বপালন, মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হওয়াটা তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, শুধু সাটিফিকেট বিতরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ না। বড়-বড় বিশ্ববিদ্যালয়কে যদি দেখি, তাদের মূল লক্ষ্য আলোকিত জ্ঞানী মানুষ তৈরি করা, জ্ঞানের সংঘর্ষে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। শুধু নিয়মিত ক্লাস এবং সেমিস্টার যথাসময়ে সম্পন্ন করাই আসল উদ্দেশ্য নয়। তিনিই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক যিনি তাঁর শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করতে শেখাতে পারেন।’

সর্বশেষ সংবাদ