সম্প্রতি বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।
সাকিব আল হাসান, যিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রিকেটার ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের একজন সংসদ সদস্য, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং শেয়ারবাজারে অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী: অভিযুক্তরা সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আবুল খায়ের এর নেতৃত্বে শত শত কোটি টাকা সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে আত্মসাৎ করেছেন।
এই অর্থ অবৈধভাবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করা হয়েছে।
দুদক গোপন সূত্রে জানতে পেরেছে, অভিযুক্তরা দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছেন, যা তদন্তের স্বার্থে বড় প্রতিবন্ধক হতে পারে।
এই প্রেক্ষিতে দুদক আদালতে আবেদন করলে, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিব তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে:
১. সাকিব আল হাসান
২. মো. আবুল খায়ের (সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক)
৩. কাজী সাদিয়া হাসান
৪. আবুল কালাম মাদবর
৫. কনিকা আফরোজ
৬. মোহাম্মদ বাশার
৭. সাজেদ মাদবর
৮. আলেয়া বেগম
৯. কাজি ফুয়াদ হাসান
১০. কাজী ফরিদ হাসান
১১. শিরিন আক্তার
১২. জাভেদ এ মতিন
১৩. মো. জাহেদ কামাল
১৪. মো. হুমায়ুন কবির
১৫. তানভির নিজাম
এখন তদন্ত চলমান রয়েছে। যদি দুর্নীতির প্রমাণ মেলে, তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে সাকিবের মতো বড় তারকার এ ঘটনায় দেশের ক্রিকেট ও রাজনীতিতে বড় আলোচনা তৈরি হয়েছে।

