রবিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২২
রবিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২২

বদরগঞ্জে বেগুনের খেতে পোকার আক্রমণে কৃষকের ক্ষতি

কৃষক সাইদার রহমান স্হানীয় পাইকারি বাজার বিক্রির জন্য খেত থেকে নিয়ে আসা পাঁচ মন সাদা ঢোপা(বারি-৬)জাতের বেগুন তুলেছেন। খেতের পাশে বেগুন বাছাই করে এক মন ভালো বেগুন পৃথক করে বস্তায় ভরেছেন।আর বাকি চারমন পোকায় ধরার কারনে গোখাদ্যর জন্য রেখেছেন।

সাইদার রহমান মতো উপজেলার আরো কৃষকের বেগুন উৎপাদনে চরম ক্ষতির সন্মুখীন হয়েছে। দামোদরপুর ইউনিয়ন চম্পাতলীর চাকলা গ্রামে ভবেষ চন্দ্র রায় ১০কাঠা জমিত,বেগুন চাষ করে খরচের টাকা না উঠার কারনে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তিনি।
একই গ্রামে কমল চন্দ্র রায়ের ৩০শতক জমিতে বেগুন চাষ করে অর্ধেক টাকাও তুলতে পারে নাই বেগুন বিক্রি করে।

এছাড়া উপজেলার সরকারপাড়া,বারোবিঘা,ঝাড়পাড়া
গ্যাদাশিকারীপাড়া,শংকরপুর চেমটাপাড়া,পাঠানপাড়া,
উত্তর কালুপাড়া,লালদীঘি, বগুড়াপাড়া গ্রামে সাদা ঢোপা জাতের বেগুন চাষ হচ্ছে। এসব এলাকার কৃষকেরা বলেছেন, লাভের আশায় অধিকাংশ খেতে
এবার সাদা ঢোপা জাতের বেগুন(বারি৬)বেগুন আবাদ করা হয়েছে। সাদা ঢোপা জাতের বেগুনখেতে ডগা ও
ফল ছিদ্রকারী পোকা এবং ঢলে পড়া(ব্যাকটেরিয়াল
উইলটিং)রোগের উপদ্রব্য দেখা দিয়েছে।চাষীরাখেতে
কীটনাশক ছিটিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না।

কালুপাড়া ইউনিয়ন চেমটাপাড়া গ্রামের সাইদুর রহমান ভুট্ট বলেন,ভাই কি আর বলবো সর্বনাশের কথা বিশ শতক জমিতে বেগুন চাষ করে খরচ হয়েছে ২১০০০টাকা কিন্তু বেগুন বিক্রি করেঋি মাত্র দুই হাজার টাকা বাকি ১৯০০০টাকা আমার লস হয়েছে।
তিনি আরো অভিযোগ করেন,কৃষি কর্মকতারা আমাদের মাঠে এসে পরামর্শ দেয়না।তবে উপজেলা কৃষি কর্মকতা বলেন,তারা নিয়মিত মাঠে যান।তাদের অভিযোগ সত্যি নয়।
ভোন্দা নামে এক কৃষক অভিযোগ করেন,কৃষি কর্মকতাগনের নিকট গেলে পরামর্শ দেন এছাড়া মাঠে যেয়ে পরামর্শ দেন না, তখন বাধ্য হয়ে দোকানদারদের
পরামর্শ সার কীটনাশক কেনেন।

এ বিষয়ে জানতে বদরগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা যোবায়দুর রহমান বলেন,আমাদের একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকতা নেতৃত্ব কয়েকজন
মাঠে যেয়ে চাষীদের পরামর্শ দিচ্ছেন।তিনি বলেন,একই জমিতে বারবার একই ফসল আবাদ করলে ফসলের উৎপাদন কমে ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হতে পারে।এছাড়া অনেক কৃষক জমিতে পোকায় আক্রান্ত গাছ,মাটিতে না পুঁতে রাখার কারনে এমনটা হতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদ