সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শিল্পীদের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ

Link Copied!

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন,  সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে আমাদের স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়েছিল। জাতির পিতা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন, সাংস্কৃতিক মুক্তি ব্যতীত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব নয়। সেজন্য তিনি সবসময় শিল্পী-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিকর্মীদের কাছে রেখেছেন, পাশে পেয়েছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শিল্পীদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী আজ বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত বিশিষ্ট শিল্পী বিপদ ভঞ্জন সেন কর্মকার এর ‘স্বাধীনতা’ শীর্ষক একক চিত্র প্রদর্শনী ২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্নেহ-মমতা পেয়েছেন, তারা সোনার মানুষ হয়েছেন। জাতির পিতার স্নেহধন্য তেমন একজন সোনার মানুষ শিল্পী বিপদ ভঞ্জন সেন কর্মকার। যিনি তার শৈল্পিক সত্তার ভেতর দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে ধারণ ও লালন করেছেন। প্রতিমন্ত্রী এসময় শিল্পীর আশু রোগমুক্তি কামনা করেন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম (মিনি করিম)। অনুভূতি প্রকাশ করেন শিল্পী বিপদ ভঞ্জন সেন কর্মকার।

উল্লেখ্য, পক্ষকালব্যাপী (১৩-২৭ জুন, ২০২২) আয়োজিত প্রদর্শনীটি জাতীয় চিত্রশালা ভবনের ৩ নং প্রদর্শনী গ্যালারিতে শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ১১টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। শুক্রবার প্রদর্শনীটি চলবে বিকাল ৩টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত।