যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে সংবর্ধনা

Link Copied!

আজ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, প্রধান কার্যালয়ে মালদ্বীপ সরকার কর্তৃক ‘মালদ্বীপ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি-কে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আজহারুল ইসলাম খান এর সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, যুব সংগঠক, উদ্যোক্তা ও আত্মকর্মী যুবরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অধিদপ্তরের মহারিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশন এবং ২৫টি যুব সংগঠকের পক্ষ হতে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

যুব সংগঠকদের মধ্যে সূচনা বক্তব্য রাখে জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তা হাসিনা মুক্তা এবং যুব সংগঠক অমিয় প্রাপন চক্রবর্তী। কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রুহুল আমীন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে ভাওয়াল বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য সন্তান হিসেবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ভুয়সী প্রশংসা করে মালদ্বীপ সরকার কর্তৃক ‘মালদ্বীপ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্তি অত্যন্ত সম্মানজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এই প্রথম কোনো যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এই পুরস্কার অর্জন করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা, পরামর্শ ও উদ্যোগে ক্রীড়া ক্ষেত্রে অভূত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে যুব সেক্টরেও আশাপ্রদ উন্নতি সাধিত হবে, আশা প্রকাশ করেন। এক্ষেত্রে যুব কর্মকর্তা ও যুব সংগঠক ও উদ্যোক্তাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর এ অর্জন আমাদের সকলের অর্জন। এটি রাষ্ট্রীয় অর্জন।

প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসাব রাসেল এমপি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। প্রতিমন্ত্রী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা জন্মদিনে (১৭ মার্চ) এ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্যেই আমি এটি উৎসর্গকৃত করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব আর খেলাধুলার প্রসার ও উন্নয়নে তাঁর ঐকান্তিক আগ্রহ ও পরিকল্পনার কারণেই ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়ন সর্বব্যাপি ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন। ক্রীড়ার পাশাপাশি সার্বিক যুব উন্নয়নে যুব কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের নতুন নতুন কার্যক্রমের অন্তর্ভূক্তির কথা জানান। বিশ্বব্যাংকের সাথে কার্যক্রম সূচিত হয়েছে, যার ফলে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রম সম্পাদনের ফলে যুব কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত হবে। নতুন নতুন সফল উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে বলে তিনি মত ব্যক্ত করেন। ঢাকা OIC Youth Capital এর সার্থক আয়োজন ও ১০টি মেগা ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্নের কথা উল্লেখ করেন। কোভিড পরিস্থিতিতে ৮৯টি দেশ ও প্রায় ৮ হাজার যুব বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সার্থক হয়েছে বলে মত দেন এবং বিশ্বব্যাপী আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির ভারমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী যুব সংগঠকের অনুদানের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে উল্লেখ করে সকলের নিকট এবং এ আয়োজনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।