ঢাকাশুক্রবার , ১৮ মার্চ ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

কষ্টের মাঝেও কারো কাছে হাত পাতিনিঃ বাবলা

বিনোদন প্রতিবেদক।।
মার্চ ১৮, ২০২২ ৮:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

এস এম হোসেন বাবলা দেশের একজন প্রযোজক। অশংখ্য নাটকে তাকে প্রযোজক হিসেব দেখা গিয়েছে। এস এম বাবলা বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার সৈয়দ মহল্লা থেকে এসে ঢাকায় পারি জমায়। ১৯৮৪ সালের দিকে ন্যাশনাল ফ্যান কোম্পানীতে যুক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে নিজের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বেক্সিমকো গ্রুপে যুক্ত হন। বেক্সিমকো গ্রুপের মাহমুদুর রহমানের সাথে কাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে নিজের চাচা সৈয়দ মহিদুল ইসলাম মানুর হাতে গড়া ব্যতিক্রম নাট্যগোষ্ঠিতে যুক্ত হন। ছোট বেলা থেকেই এস এম বাবলা নাট্যজগতে কাজ করার ইচ্ছা নিয়েই এগিয়েছেন। সে সুবাধে চাচার হাত ধরে ২৩ বছর আগে নাট্যজগতে পদার্পন করেন। এস এম বাবলা শুধু একজন প্রযোজক নন। ব্যক্তি জীবনে অভিনয় ও পরিচালনাও করেছেন। মহিরা সমিতি , বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন চ্যানেলের নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। প্রযোজনা সংস্থার মাধ্যমে অশংখ্য বিজ্ঞাপন তৈরী করেছেন । যার ভিতর উল্লেখযোগ্য
আকতার ফার্নিচার,তাজ প্লাষ্টিক,নাসা ন্যাশনাল, ইসলাম জুয়েলার্স। তবে এই পথচলা তার জন্য খুব একটা সহজ ছিলনা। ঢাকা শহরে ছিলেন তার ফুফা । যিনি ডিএমপির একজন উচ্চ পদ্স্থ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। ছিলেন তার চাচা। তারপরেও দুই টাকার ভাত আর ১টাকার ডাল কিনে খেয়েছেন। তিনি কারো কাছেই সহযোগীতার জন্য তাদের দ্বারে যায়নি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমি নিজের যোগ্যতায় কিছু করতে চেয়েছি। কখনো কারে কাছে হাত পাততে শিখিনি। তাই তাদের কাছে কখনোই যায়নি। পরে এস এম হোসেন বাবলা নিজে জেরিন মাল্টিমিডিয়া নামের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দার করান। জেরিন মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে নজরুল কুরেশীর পরিচালনায় ব্ল্যাকমেইল নাটক তৈরী করেন।যেটি বৈশাখী টেলিভিশনে চালানো শুরু করেন।

গুলবাহাদুর লস নামের ৩০০ এর অধিক পর্বের নাটক মোহনা টিভিতে প্রচারিত হয় যেটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ছিল এস এম হোসেন বাবলার জেরিন মাল্টিমিডিয়া । আর টিভিতে মুজিবুর রহমান দিলুর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ১ঘন্টার নাটক বানিয়েছেন তিনি। টেলিফিল্ম তৈরী করেছেন তিনি। যা বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। মোহন খানের পরিচালনায় তার একটি নাটক তৈরী করেছিলেন।

নিজের গ্রামের স্মৃতিচারণে ও সামগ্রিক নিয়ে তিনি বলেন, যদি ফিরে যেতে পারতাম সেই গ্রামের সবুজ শ্যামল গায়ে। আমার দাদা-দাদী , বাবা-মায়ের কবর সেখানেই। ওখানকার যে আনন্দ, সেই আনন্দ টাকা পয়সা, গাড়ি বাড়িতে পাওয়া যায়না। আমি সব সময়ের জন্য মিস করি আমার গ্রামকে। মিস করি বাল্যকালের বন্ধুদের। আমার মনের ইচ্ছা শেষ বয়সে যদি ওখানেই যেন থাকতে পারি। ঢাকাস্থ ফকিরহাট সৈয়দ মহল্লা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমি ১২ বছরের উপরে। ডাঃ মোরশেদ মাওলা সভাপতি। কাজী মোজাহার আলীও আছেন। তার ভাই ছিলেন পৃষ্ঠপোষক তারই চেষ্টায় এই সমিতি । কাজী আজহার আলী যিনি একটা সময়ে স্বরাষ্ট্র সচিব ছিলেন। হুমায়ুন কবীর আছেন । যিনি ইরানের অ্যাম্বাসেডর ও জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন। এই সমিতির মাধ্যমে জাকাত ফান্ড করে এলাকায় দিই। আমাদের এলাকার কেউ যদি নাটক নিয়ে আসে তবে আমি তাকে দাড় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

পারিবারিক প্রসজ্ঞে তিনি বলেন, আমার বড় মেয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করে ৩বছর অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আছে। মেয়ের স্বামী সেখানকার
একটি কোম্পানীতে জব করে । ছোট মেয়ে রাজউক কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে এএইচ এস সি পাস করেছে। আমার স্ত্রী আমাকে সব সময় সহযোগিতা করেছে। আমার স্ত্রী শাহানা হোসেনের অনুপ্রেরনায় আজ আমি এখানে। আজ ১২/১৩ বছর যাবত যিনি আমাকে সবথেকে বেশি সহযোগিতা করেছেন তিনি মাননীয় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেম্দ মজুমদার। তার থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আমার চলার পথে তার ভালবাসা ও দোয়ায় আমি এগোতে পারছি।

টেলিপ্যাবের নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, টেলিপ্যাবে আগেও আমি নির্বাহী সদস্য পদে জয় লাভ করেছি। এবারো আমার জয় লাভের আশা করছি। আমরা ২৭ জন জয় লাভ করবো ইনশাল্লাহ। রোকেয়া প্রাচী আপা ও সাজ্জাদ হোসেন দোদুলসহ আমদের সমমনা ২৭জন যোগ্য। আর আশা ও বিশ্বাস রাখি ভোটাররা যোগ্যদের ভোট দিবে।