ঢাকাবুধবার , ১২ জানুয়ারি ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টেকনাফে বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

বিশেষ প্রতিবেদক।।
জানুয়ারি ১২, ২০২২ ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিজিবি’র টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ২,৭০,০০,০০০/- (দুই কোটি সত্তর লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ৯০,০০০ (নব্বই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজিবি’র টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অদ্য ১২ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, অধীনস্থ জীম্বংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৬ হতে আনুমানিক ১০০ গজ দক্ষিণে জীম্বংখালী গাবদাসী এলাকা দিয়ে মিয়ানমার হতে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে জীম্বংখালী বিওপি হতে বিশেষ টহলদল দ্রুত বর্ণিত এলাকায় গমন করতঃ নাফ নদের তীরে জঙ্গলের আড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। আনুমানিক ০৬৫০ ঘটিকায় উক্ত এলাকা দিয়ে ০১ জন চোরাকারবারীকে একটি বস্তা কাঁধে নিয়ে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে। টহলদল উক্ত চোরাকারবারীকে দেখা মাত্রই তাকে চ্যালেঞ্জ করে খুব দ্রুত তার দিকে অগ্রসর হয়। দূর হতে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই বহনকৃত বস্তাটি ফেলে দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল বর্ণিত স্থানে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া ০১টি বস্তা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বস্তার ভিতর হতে ২,৭০,০০,০০০/-(দুই কোটি সত্তর লক্ষ) টাকা মূল্যমানের ৯০,০০০ (নব্বই হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করতে সক্ষম হয়। ইয়াবা কারবারীকে আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকা ও পার্শ্ববর্তী স্থানে পরবর্তী ০৮০০ ঘটিকা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারী কিংবা তার সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উক্ত স্থানে অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় চোরাকারবারীকে সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি। তবে, তাকে সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সদা জাগ্রত হয়ে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে “DEFENDER OF THE STRATEGIC SOUTH” হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষা ছাড়াও চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তঃ রাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধ দমনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে যথাযথ ও কার্যকরীভাবে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে বেসামরিক পরিমন্ডলে ভূয়সী প্রশংসা করে আসছে।