ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৬ জানুয়ারি ২০২২
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিংড়ায় সরিষা ক্ষেতে আধুনিক মৌ বাক্সে মধু সংগ্রহ

সৌরভ সোহরাব। সিংড়া(নাটোর) প্রতিনিধি।।
জানুয়ারি ৬, ২০২২ ৭:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

এখন সরিষা ফুলের ভরা মৌসুম। নাটোরের সিংড়ার চলনবিল অঞ্চলের মাঠ জুড়ে যতদুর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। মনে হবে এ যেন হলুদের রাজ্য। সরিষা ক্ষেতের এই হলুদ রাজ্যেই লুকিয়ে আছে কৃষকের স্বপ্ন। তবে এবছর সরিষার ফলন ঘরে তোলার আগেই মধু উৎপাদনে বাড়তি আয়ের নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন কৃষক। সরিষা জমিতে মধু বাক্স বসিয়ে মধু উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষক।

মৌ চাষের প্রশিক্ষণ নিয়ে আধুনিক মৌ বাক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহে স্বাবলম্বীর মুখ দেখছেন অনেকেই। মধু চাষে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করছেন বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগ বলছেন, সরিষা ক্ষেতে মধু উৎপাদন যত বেশি হবে মৌমাছির দ্বারা ফুলে ফুলে পরাগায়ন তত বেশি ঘটবে, ফলে সরিষার উৎপাদনও বাড়বে।

সরেজিমনে গিয়ে দেখা যায়, সিংড়া উপজেলার হাতিয়ান্দহ, লালোড়, শেরকোল,চৌগ্রাম সহ চলনবিলের মাঠ জুড়ে হলুদ সরিষার ক্ষেত। এসব হলুদ ক্ষেতের পাশে মৌ চাষের বাক্স বসিয়ে কৃষকরা মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
কৃষক আল মাসুম জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় মধু চাষে প্রশিক্ষণ নিয়ে এবছরই প্রথম মধু উৎপাদন শুরু করেছেন তিনি। সরিষার ফলন উঠার আগেই বাড়তি আয় করার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও জানান কৃষক মাসুম।

কৃষক সাগর জানান, মাত্র দুটো বাক্স নিয়ে গত বছর প্রথম মধু চাষ শুরু করেছিলাম। খরচ বাদে গত বছর মধু বিক্রি করে আমার ৪০ হাজার টাকা আয় হয়েছিল। এবছর আমার বাক্স আছে ১০ টি। আশা করছি ২ লাখ টাকার মধু বিক্রয় করবো।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মোঃ সেলিম রেজা বলেন, সিংড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৩৮৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। সরিষা থেকে মধু উৎপাদন করে বাড়তি আয় হওয়ায় কৃষকদের মাঝে মধু চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

আমরা প্রথম বারের মত ১০ জন কৃষককে মধু চাষের প্রশিক্ষণ দিয়ে ১০ টি আধুনিক মৌ বাক্স দিয়েছি। তারা ইতোমধ্যে আশানুরুপ মধু উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে। আমরা আশা করছি আগামীতে সরিষা চাষের পাশাপাশি মধু চাষীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।