ঢাকাশনিবার , ২৫ ডিসেম্বর ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাপাহারে পরীক্ষামূলকভাবে কালো এলাচ চাষ

মনিরুল ইসলাম। সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি।।
ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ২:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বরেন্দ্র অঞ্চলখ্যাত নওগাঁর সাপাহার উপজেলা। এই উপজেলার মাটির গুণগত মান অন্যান্য এলাকার চেয়ে অনেক ভালো। যার ফলে সব ধরনের কৃষিপণ্য চাষের জন্য উপযোগী এই অঞ্চলের মাটি। এরই ধারাবাহিকতায় এই উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচ চাষ শুরু হয়েছে। আর পরীক্ষামূলকভাবে কালো এলাচ চাষ করছেন অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য ও কৃষি উদ্যক্তা মাহফিজুর রহমান।

এলাচচাষী মাহফিজুর রহমান জানান, তিনি উপজেলার খঞ্জনপুর এলাকায় আম বাগানের ভিতর ৫শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ২০টি ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচের গাছ রোপন করেছেন। এলাচের গাছ রোদ সহ্য করতে না পারায় ছায়াযুক্ত জায়গায় বা কোন গাছের নিচে রোপন করতে হয়। এজন্য তিনি তার আম বাগানের মধ্যে ৫শতাংশ জমি বেছে নিয়ে সেখানে এলাচের গাছ রোপন করেছেন। গাছ লাগানোর পর তার ডালপালা ছড়িয়ে বিশালাকার জায়গা দখল করে। যার ফলে একটি এলাচ গাছ থেকে আরেক গাছের দূরত্ব দেওয়া হয়েছে ২২ ফুট।

রোপনকৃত গাছ হতে পরিপক্ক ফল পেতে প্রায় ২ বছর সময় লেগে যায় ফলে গাছ রোপনের পর দীর্ঘ সময় পরিচর্যা করতে হয়। পরিচর্যার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, গাছ রোপনের পরে তেমন কোন পরিচর্যা করতে হয় না। তবে নিয়মিত সেঁচ দেওয়া, জৈব-রাসায়নিক সার ও সামান্য পরিমাণে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হয়। মাটির গুণগত মান ভালো হবার ফলে এলাচ চাষে অনেকটা অনুকূল। কালো এলাচ চাষ একসময় বানিজ্যিক ভাবে হতে পারে বলেও ধারণা করছেন তিনি। কিন্তু এই এলাকায় কালো এলাচের বানিজ্যিক ভাবে বিপননের কোন ব্যবস্থা নেই। বানিজ্যিকভাবে বিপনন সুবিধা থাকলে প্রতি মৌসুমে শতক প্রতি প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার কালো এলাচ বিক্রয় করা সম্ভব।

এলাচ গাছ পরিচর্যাকারী শরিফুল ইসলাম জানান, কালো এলাচ চাষ অত্যন্ত লাভজনক। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে এবং নিয়মিতভাবে গাছের দিকে দৃষ্টি রাখলে অধিক পরিমাণে এলাচ ফলবে। গাছ লাগানোর ৫ মাসের মধ্যেই গাছের ডালপালা ছড়িয়ে গেছে। রোপনকৃত গাছে সময়মতো পানি সেচ সহ নানাবিধ পরিচর্যার কাজ চলছে। আর হয়তো স্বল্প সময়ের মধ্যে গাছে ফলের কুঁড়ি আসতে শুরু করবে।

উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতাউর রহমান সেলিম বলেন, ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচের ব্যাপকভাবে আমদানী থাকায় এই অঞ্চলে বানিজ্যিকভাবে এলাচ চাষ হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় পরে ফল আসে। যার কারণে কালো এলাচ চাষ তেমন ফলপ্রসূ নয়। তবে যদি কেউ এলাচ চাষ করতে চায় তাহলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে সকল ধরণের সহায়তা প্রদান করা হবে।