ঢাকারবিবার , ২১ নভেম্বর ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

উপজাতীয় কোটায় অউপজাতীয় শিক্ষার্থীদের অর্ন্তভুক্তিতে পিসিপির সংগঠনের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক। রাঙ্গামাটি।।
নভেম্বর ২১, ২০২১ ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ইউনিভার্সিটিতে (চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েট) সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে উপজাতীয় (পাহাড়ি) শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত ট্রাইবেল কোটায় অ-উপজাতীয় (বাঙালি) শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভূক্ত করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপ) সংগঠনটি।

শনিবার (২০ নভেম্বর ২০২১) পিসিপির কেন্দ্রীয় সভাপতি সুনয়ন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক সুনীল ত্রিপুরা সংবাদ মাধ্যমে এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সংখ্যালঘু জাতিসত্তা সমূহের জন্য নির্দিষ্টকৃত ভর্তির কোটা ব্যবস্থা যথাযথ বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় ও আমরা উদ্বিগ্ন। সাম্প্রতিক চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটের সম্মিলিত উচ্চ শিক্ষার জন্য বিভিন্ন ভার্সিটিতে ভর্তি পরিক্ষায় পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের জন্য কোটায় বরাদ্ধকৃত রয়েছে তা কর্তৃপক্ষ পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অউপজাতীয়দেরকে(বাঙালি) সমম্বয় করেই শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভূক্ত করে ফলাফল প্রকাশ করেছে। ফলে অনেক পাহাড়ি শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের তাদের নির্দিষ্ট কোটার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এমনকি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি কর্তৃপক্ষের এমন কারসাজির বিরুদ্ধে ঘৃনা ভরে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে আরও বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে দেশের পিছিয়ে পড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠীদের জন্য কোনো কোটা ব্যবস্থা না থাকায় অধিকাংশ পাহাড়ি শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ শেষে হতাশাগ্রস্থ। অথচ প্রত্যেক দেশে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা ও চাকুরির ক্ষেত্রে কোটাসহ বিশেষ বিশেষ কোটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যাতে তারা অন্যান্যদের মতো সমানভাবে বিকশিত লাভ করতে পারে।

কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক শুভাশিষ চাকমার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, অনতিবিলম্বে চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটের সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষায় পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত কোটা শতভাগ পূরণ করে অউপজাতীয় (বাঙালি) শিক্ষার্থীদেরকে বাদ দিয়ে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভূক্ত করেই পুনরায় ফলাফল প্রকাশের জোরদাবি জানান।

এছাড়া, অন্যান্য সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের ৫% এবং সমতলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের ৫% কোটা যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্টান কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানান বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ।