ঢাকাবুধবার , ২৭ অক্টোবর ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিনিধি।।
অক্টোবর ২৭, ২০২১ ১০:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারীর কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ওআইসি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

আজ (বুধবার) তুরস্কের ইস্তানবুলে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়ন বিষয়ক অষ্টম ওআইসি মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বিশেষ করে খাদ্য ও কৃষি খাতে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
অনুষ্ঠানে তুরস্কের কৃষি ও বন মন্ত্রী ড. বেকির পাকদেমিরলি এর সভাপতিত্বে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীগণ অংশ নেন।
সম্মেলনটি খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়ন বিষয়ক অষ্টম ওআইসি মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের রেজোলিউশন গ্রহণের মাধ্যমে শেষ হয়।

# তুরস্কের কৃষি ও বনমন্ত্রীর সঙ্গে খাদ্য মন্ত্রীর মতবিনিময় #

সম্মেলনের সাইড লাইনে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার তুরস্কের কৃষি ও বনমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মতবিনিময়সভায় অংশ নেন। এসময়, উভয় মন্ত্রী পারস্পরিক সুবিধার জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে খাদ্য ও কৃষি পন্য অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। বাংলাদেশের মন্ত্রী খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষি যন্ত্রপাতি এবং অবকাঠামোতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান। তুরস্কের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের আগে গত ২৫ ও ২৬ অক্টোবর দু-দিনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সভা অনুষ্ঠিত হয়ে। খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানম বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

তিনি “ওআইসি অঞ্চলে খাদ্য ব্যবস্থার উন্নতির জন্য অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া শিরোনামের সাইড-লাইন ইভেন্টে প্যানেলিস্ট হিসেবে যোগদান করেন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের সাফল্যে গাঁথা তুলে ধরেন। তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সর্বোত্তম অনুশীলন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।