ঢাকাসোমবার , ৪ অক্টোবর ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

বিএসএমএমইউতে বৈকালিক স্পেশালাইজড আউটডোর চালু

বিশেষ প্রতিনিধি।।
অক্টোবর ৪, ২০২১ ৬:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈকালিক স্পেশালাইজড আউডোর অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ এর নির্দেশে চালু হয়েছে। আজ সোমবার ৪ অক্টোবর বিকালে দেশের বিশিষ্ট চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ মহোদয় কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের বহির্বিভাগে রোগী দেখেছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন, সার্জারি, শিশু ও ডেন্টাল অনুষদের ২৪টি বিভাগে এই মহতী চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম প্রদান করা হচ্ছে। এসকল বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বিকাল ৩টা থেকে রোগীদেরকে এই চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকেন ।

উপাচার্য মহোদয় জানিয়েছেন, রোগীদের সুবিধার্থে বৈকালিক স্পেশালাইজড আউডোর সার্ভিস অব্যাহত রাখা হবে। মাননীয় উপাচার্য মহোদয় আজ সোমবার বিকালে রোগী দেখার পর বিভিন্ন বিভাগে চলমান বৈকালিক স্পেশালইজড আউটডোরের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বৈকালিক স্পেশালাইজড আউটডোর চালু হওয়ায় সেখানে আগত রোগীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের বৈকালিক স্পেশালাইজড আউটডোর পরিদর্শনকালে সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. পবিত্র কুমার দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।

কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট হ্যাবিলিটেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত
৫৬৫ জন সম্পূর্ণ শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুর কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি সম্পন্ন

এদিকে আজ সোমবার ৪ অক্টোবর ২০২১ইং তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ব্লকে মাল্টিপারপাস হলে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি করা সম্পূর্ণ শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের ভাষা শেখানোসহ সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট হেবিলিটেশন ওয়ার্কশপ (কর্মশালা)-এর প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ।

সভাপতিত্ব করেন কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট প্রোগ্রাম এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. এএইচএম জহুরুল হক সাচ্চু। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক কান গলা বিভাগের চেযারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আজহারুল ইসলাম। ফরেন ফ্যাকাল্টি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশেষজ্ঞ অস্ট্রিয়ার ক্রিস্টিয়ান স্টিফেন, তনিকা মাহাতো, ডাগমার হাররমান্নোভা।

কর্মশালা জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ পর্যন্ত ৫৬৫ জন সম্পূর্ণ শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুর কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট করা হয়েছে। এখন এসকল শিশুদের কথা শেখানোর মাধ্যমে তাদের পুরোপুরি সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নেয়া হবে। কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সফল করতে সার্জন, অডিওলজিস্ট, স্পিচথেরাপিস্ট এবং এসকল শিশুর মায়েদের অন্যন্য ভূমিকা পালন করতে হয়।

উল্লেখ্য, কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক ইচ্ছায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই মহতী চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে কানে শুনতে না পাওয়া ও কথা বলতে না পারা শিশুরা কানে শুনতে পারছে ও কথা বলতে পারছে। অনেক পিতা মাতা তাদের প্রিয় সন্তানের মুখ থেকে মা-বাবা ডাক শুনতে পেয়েছেন যা তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার।