ঢাকাসোমবার , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

৩০ সেপ্টেম্বর খুলছে সিকৃবির হল

সহ- ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১ ৮:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রুবেল আহমদ। সিলেট প্রতিনিধি।।

করোনা মহামারি কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) খুলে দেওয়া হচ্ছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিকৃবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর।

সিকৃবি সিন্ডিকেট কমিটির সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার মো. বদরুল ইসলাম শোয়েব জানিয়েছেন, অনার্স ফাইনাল ইয়ার, এমএস ও পিএইচডির শিক্ষার্থীরা ২ ডোজ টিকাপ্রাপ্তির পর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে হলে প্রবেশ করতে পারবেন। অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরা ১ ডোজ টিকাপ্রাপ্ত হলেই ২১ অক্টোবর থেকে হলে প্রবেশ করতে পারবেন। হলে উঠার আগে অবশ্যই টিকা গ্রহণের সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে।

রেজিস্ট্রার মো. বদরুল ইসলাম শোয়েব আরও জানিয়েছেন, ১ নভেম্বর থেকে সিকৃবি ক্যাম্পাসে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে এবং চলমান অনলাইন পরীক্ষাগুলো যথারীতি চালু থাকবে ও নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো শেষ হবে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্তগুলোর অনুমোদন দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনা মহামারির সময়ও সিকৃবির অনলাইন ক্লাস অব্যাহত ছিল। প্রশাসনিক কাজও থেমে ছিল না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মকর্তারা প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকা গ্রহণ করেননি, সিন্ডিকেট সভা থেকে কর্তৃপক্ষ তাদের দ্রুত টিকা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার বিকেল ৩টায় সিন্ডিকেট সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার। সভায় যোগদান করেন, সিন্ডিকেট সদস্য ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুস শহীদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এম. এ. সাত্তার মন্ডল, প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড একুয়াটিক এনভায়রনমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুল ইসলাম এনডিসি, আরেক অতিরিক্ত সচিব ফৌজিয়া জাফরিন এনডিসি, বাংলাদেশ প্রাণি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল, বাংলাদেশ আনবিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাত, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা এবং উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম।

সিন্ডিকেট সভায় সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন রেজিস্ট্রার মো. বদরুল ইসলাম শোয়েব।