ঢাকাশনিবার , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

মিস্টার’কে সুযোগ দেয়া দরকার একবার

সহ- ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১ ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চেঁচামেচির কোনো দাম নেই পৃথিবীতে। সত্য স্লোগান হৃদয়ে লালন করলে মানুষের আর কিছু লাগে না। যেমন মস্তিষ্ক দিয়েই মানুষ মূলত নিজেকে পরিচালিত করে। আর সততা দিয়ে নিজের জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়। এই দুটি শব্দ যে মানুষ নিজের ভেতর লালন করে তিনিই মূলত সমাজের বিশেষ মানুষে পরিণত হন।

জিয়াউল আলম মিস্টারকে এই শহরের বেশিরভাগ মানুষ আন্তরিকমনে ভালোবাসেন। এই ভালোবাসা তাঁর জন্য একটি বড় পাওয়াও বটে। কারণ ভালোবাসা তৈরি করতেও যোগ্যতা লাগে। যেমন আমরা বহু উদাহরণ দিতে পারি যে, একজন মানুষ কাজ করার সঠিক প্লাটফর্ম পেলে সে নিজের মস্তিষ্ক আর সততা দিয়ে একটি সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভালোকিছু উপহার দিতে পারেন। এরকম উদাহরণ বাংলাদেশ এবং পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ বাস্তব রয়েছে।

জিয়াউল আলম মিস্টার এমনকোন জঙ্গলের প্রাণী নয় যে তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। কিন্তু সে দায়িত্ব পালন করতে হলে তো তাঁকে আগে দায়িত্ব দিতে হবে। যদি আরো ক্লিয়ার করে বলতে হয়, মিস্টার ভাইকে ফেনী জেলার আওয়ামী রাজনীতিতে একটি বড় দায়িত্ব দেয়া সময়ের ব্যাপার বলেও মনে করা যায়। কারণ মানুষ যেখানে দেখে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দল করাওয়ালারাও পদ পেতে বেশি সময় ও ব্যাঘাত ঘটে না। আর সে হিসেবে বলাই যায় একজন মানুষ যখন একদলের হয়ে নিজের একজীবন বিলিয়ে দিতে পারেন—তাঁকে অবশ্যই পুরস্কার হিসেবে হলেও দলের একটি ভূমিকায় যুক্ত করলে মানুষ আশ্চর্য হবে না, বরং দ্বিগুণ খুশি হবে। কারণ ছোটবেলা থেকে একদলে নিজেকে স্বতন্ত্র পরিচয়ে রাখা মানুষটির নামই হচ্ছে জিয়াউল আলম মিস্টার।

একজন জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক নেতার জন্য যেকোনো নির্বাচন মানেই উৎসবের মতো। কারণ পৃথিবীর যেকোনো রাজনৈতিক নেতার মনে কামনা ও বাসনা থাকে, জীবনে একবার হলেও যেকোনো নির্বাচনে অংশ নেয়ার। সে হিসেবে জিয়াউল আলম মিস্টার যদি আসন্ন ফেনী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে অংশ নেয় সেটি তাঁর জন্য পজিটিভ দিক বলেই মনে করা যায়। কারণ পৃথিবীটা দারুণ এক ভাঙাগড়ার মাঠ। যে মাঠে খেলার অধিকার রাখে ছোটবড় সব ধরনের খেলোয়াড়। তবে এটা সত্য পৃথিবীর এই অলৌকিক জমিনে কেউ চায় ইস্পাতের কর্ণি, আর কারো ভালো লাগে ইটের চাঁই। আবার স্রষ্টার আকাশের নিচে বসে অনেকে কিছু না কামনা করেও শুকরিয়া আদায় করে আন্তরিক মনে বারংবার।

জিয়াউল আলম মিস্টার এরকমই একজন। যে কিছু না পেলেও সু-আন্তরিক মনে নিবেদিত থাকেন নিজ দলের জন্য। লম্বা আলের উপর দাঁড়িয়ে জমিনকে পাহাড়া যে দেন তিনিই তো সত্যিকার মানুষ। তেমনি রাজপথের স্বতন্ত্র পুরুষ জিয়াউল আলম মিস্টারকে সম্বোধন করলে একটুও ভুল হবে না। বরং তাঁকে অস্বীকার করলে আমাদেরই লজ্জা হবে বেশি। কারণ জমিনের পাহারাদার বলি আর রাজপথের রাজনীতির বড় ঘরটা বলি, খুঁটিটা কিন্তু শক্ত করে দু’হাতে আঁকড়ে ধরে রাখার যোগ্যতা রাখেন শুধুমাত্র জিয়াউল আলম মিস্টারেরা।

তাই বলতে হয়, বেলা গড়িয়ে রাত কম হয়নি। এবার একটা সুযোগ দেয়া যেতে পারে যুবকদের পছন্দের মানুষ জিয়াউল আলম মিস্টারকে। আশাকরি তিনি সামনের পথকে সুন্দর রাখতে—জেগে থাকতে পারবেন ফেনীবাসীর মঙ্গলের জন্য।

লেখা :
আলমগীর মাসুদ।