আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২১ উদযাপন

Link Copied!

বিশেষ প্রতিনিধি।।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে আন্তজার্তিক যুব দিবস ২০২১ উদযাপিত হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ “খাদ্য ব্যবস্থার পরিবর্তন: মানবজাতি ও বিশ্ব স্বাস্থ্যের জন্য যুবদের উদ্ভাবন”। এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে আজ সকালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল প্রধান অতিথি হিসেবে জুম প্লাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন । যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আজহারুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আখতার হোসেন এবং UNFPA, বাংলাদেশ এর রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. আসা টরকেলসন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, অসীম সাহসী, সৃজনশীল ও সম্ভাবনাময় যুবসমাজ যুগ যুগ ধরে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। তাই SDG বা টেকসই অভীষ্ট উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, খাদ্য পবির্তন ব্যবস্থায় (Transforming Food System)এবং কোভিড-১৯ সংক্রমণ উত্তরণসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংরক্ষণে যুবদের ভূমিকা অগ্রগন্য।

দেশের যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত নানা কর্মসূচির বর্ণনা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ৬৪ লক্ষ যুবককে বিভিন্ন ট্রেডে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষন দিয়েছি যাদের মধ্যে প্রায় ২৪ লক্ষ যুব আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রশিক্ষিত যুবদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বিনা জামানতে ২১ বিলিয়ন টাকা প্রদান করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ধাপে ধাপে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে ।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ এমডিজির ন্যায় ২০৩০ সালের মধ্যে যুবশক্তিকে কাজে লাগিয়ে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে সমর্থ হবে।

এসময়ে প্রতিমন্ত্রী দেশের যুবসম্প্রদায়কে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে আগামীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার উদাত্ত আহ্বান জানান ।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক দেশব্যাপী আলোচনা সভা ,যুব সংগঠনের নিবন্ধন সনদ বিতরণ ,বৃক্ষরোপন ইত্যাদি কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তারুণ্যের বিকাশ ও উন্নয়নে ১৯৯৮ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অব মিনিস্টার রেসপনসিবল ফর ইয়ুথ’- ১২ আগস্টকে ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ হিসেবে উদ্‌যাপনের প্রস্তাব করে। পরের বছর ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ১২ আগস্ট জাতিসংঘের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত হয়ে থাকে।