ঢাকারবিবার , ৮ আগস্ট ২০২১
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  9. জাতীয়
  10. তথ্য ও প্রযুক্তি
  11. প্রবাস বাংলা
  12. বিনোদন
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা
  15. সম্পাদকীয়

সিনেমা আবারও বড় পর্দায় ফিরবে – গৌতম ঘোষ

সহ- ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
আগস্ট ৮, ২০২১ ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

খুবি প্রতিনিধি।।

সিনেমায় আবারও বড় পর্দায় ফিরবে। আজ শনিবার ’35 mm- The KU Movie Club’ আয়োজিত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এর সর্বশেষ প্যানেল ডিসকাশন পর্বে এমন মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষ। তিনি বলেন, ‘সিনেমা হলে সবাই একসাথে বসে সিনেমা দেখার একটা মজা আছে। শুনেছি প্যান্ডেমিক পাঁচ বছর থাকবে। এটা কেটে গেলেই অডিয়েন্স আবারও হলে ফিরবে। তাই, সিনেমা আবারও বড় পর্দায় ফিরবে।’ ডিসকাশনটি শনিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে 35 mm- The KU Movie Club-টি চলচ্চিত্র কর্মশালা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও প্যানেল ডিশকাশনের সেগমেন্টের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এর আয়োজন করে। শনিবার এই ফেস্টিভ্যালের সর্বশেষ প্যানেল ডিসকাশনে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব গৌতম ঘোষ এবং অনম বিশ্বাস। প্যানেল ডিসকাশনটি পরিচালনা করেন আল মুমিন খান স্নেহ।

এ সময় গৌতম ঘোষ বলেন, ‘সিনেমার সবচেয়ে বড় ক্ষমতার জায়গাটা হলো, কথা ছাড়াও সিনেমা কমিউনেট করতে পারে। সেটাকে ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারে। এ কারণে যেকোনো ভালো আঞ্চলিক ছবি আন্তর্জাতিক হয়ে উঠতে সক্ষম। তাই আমাদের ভালো ভালো সিনেমা বানাতে হবে এবং সেটাকে ছড়িয়ে দিতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমা হলো টাইম এন্ড স্পেসের খেলা। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবি বানাতে গেলে আমাকে এখন ওই অডিয়েন্সের কথা ভাবতে হবে। এটা কি মোবাইল ফোনের পর্দায় ভালো লাগবে বা জমবে? এই ট্র্যানজিশনের কথাও মাথায় রাখতে হবে।’

অনম বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন সিনেমার অবস্থা প্রকৃতপক্ষে খারাপ। এটার পেছনে অনেক সোশিও-পলিটিক্যাল কারণ রয়েছে। আগে এদেশে মধ্যবিত্তরাও সপরিবারে সিনেমা দেখতে যেতো, তবে এখন আর সেটা দেখা যায় না।’

এই অনুষ্ঠানের গোলটেবিল আলোচনার বিশেষ দুই পর্বের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে শিক্ষার্থী ভিত্তিক চলচ্চিত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করেন ইউল্যাব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা। এর দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থী অনুদানে নির্মিত ‘মেরুদ্বন্দ্ব’ শর্টফিল্মের ডিরেক্টর, সহ-পরিচালক এবং প্রোডাকশন ডিজাইনার উপস্থিত ছিলেন। তারা ‘মেরুদ্বন্দ্ব’ তৈরির পিছনে পুরো গল্পটা তুলে ধরেন। মুলপর্বের আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সাংবাদিক পানোস কোজাথানাসিস, শব্দশিল্পী হরিকুমার পিল্লাই এবং জাহিদুর রহিম অঞ্জন প্রমুখ।

এছাড়াও, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার বিজয়ী চিত্রগ্রাহক সুমন সরকার এবং স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজিবুল হোসেন পৃথক দুটি চলচ্চিত্র কর্মশালা পরিচালনা করেন। সেই সাথে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র আন্দোলন ‘৩৫ মি.মি.’ এর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে উৎসবের নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর প্রদর্শনীর সমাপনীর মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীন চলচ্চিত্র উৎসব অনলাইন পর্বের পরিসমাপ্তি ঘটে।
এই অনুষ্ঠানের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে ওই ক্লাবের সভাপতি বলেন বহ্নিশিখা চৌধুরি বলেন, ‘৩৫এম এম খুবই আনন্দিত এতো সুন্দর একটি প্রোগ্রাম আয়োজন করতে পারে। যে এই প্রোগ্রামের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে আমাদের অনেক সাহায্য, সহযোগিতা করেছেন। আমরা প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ‘

উল্লেখ্য, এই উৎসবে দেশ-বিদেশের প্রায় ৪২টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহনের করে এবং প্রায় শতাধিক শর্টফিল্ম জমা পরে। এই চলচ্চিত্রগুলো থেকে ৪০টি শর্টফিল্মকে মুল উৎসবের জন্য বাছাই করা হয়। উৎসবের প্রতিযোগীতা পর্বে বিচারক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা নুরুল আলম আতিক, অনম বিশ্বাস, পিপলু আর খান এবং বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক কামরুল হাসান খসরু।