শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিনে স্বেচ্ছাসেবকলীগের দোয়া

Link Copied!

আব্দুল্লাহ আল ফারুক। কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি।।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩০ সালের এই দিনে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ তিনি শহীদ হন।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে যখন প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয় তখন ঘৃণাভরে বেগম মুজিব তা প্রত্যাখান করেন। এই একটি সিদ্ধান্ত বাঙালীর মুক্তির সংগ্রামের আলোকিত পথ নির্দেশিকা।
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। নীরবে নিভৃতে যিনি কাজ করেছেন বাঙালি জাতির জন্য। তিনি জাতির পিতার সহধর্মিনী। বঙ্গবন্ধুর প্রেরণা, সাহস এবং উৎসাহের কেন্দ্রস্থল। বঙ্গমাতা এমন একজন নারী, যিনি তাঁর জীবনের সবকিছু ত্যাগ করেছেন, স্বামীর রাজনৈতিক জীবনের জন্য। নিজে বঞ্চিত হয়েছেন।
অনটন, কষ্ট নীরবে সহ্য করেছেন। কারো কাছে কোন অনুযোগ করেননি। কখনো রাগ করেননি। বঙ্গবন্ধুর ‘‘জাতির পিতা” হয়ে উঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাঁর।

সম্প্রতি জাতির পিতার “ অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে” বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় রেণু (বেগম মুজিবের ডাক নাম) সম্পর্কে কিছু স্মৃতিচারণ করেছেন। ছোট কিন্তু আবেগঘন এই স্মৃতিগুলোই মূর্ত করেছে বঙ্গমাতার অবদান। এই স্মৃতিগুলোই প্রমাণ করে কী মহীয়সী নারী ছিলেন তিনি। আজ এ মহাপ্রাণ নারীর জন্মদিন।
১৯৭৫’এর ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁরা ছিলেন একআত্মা। একইসঙ্গে ছিলেন সুখ-দুঃখের জীবনের কঠিনতম সময় তারা পার করেছেন। পারস্পরিক বিশ্বাস আর শ্রদ্ধায়।
বেগম মুজিব সেই নারী, যিনি আর্দশের জন্য জীবনের সুন্দরতম মুহুর্তগুলো উৎসর্গ করেছেন। বঙ্গমাতা হলেন সেই নারী, যিনি বাঙালীর মুক্তির জন্য স্বামীকে উৎসর্গ করেছেন।
বঙ্গমাতা হলেন, সেই মহীয়সী যিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের সব কষ্টকে জয় করেছেন। তিনি ছিলেন জাতির পিতার প্রধান সহযোদ্ধা, প্রধান পরামর্শদাতা এবং প্রধান শুভাকাঙ্খী।
জাতির পিতার ‘‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী” পড়লে আমরা দেখি, বঙ্গবন্ধু যখন ছাত্র রাজনীতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তখনও তাঁর প্রিয় স্ত্রী রেনু হাত খরচের টাকা জমিয়ে স্বামীকে দিতেন, বাঙালীর মুক্তির আন্দোলনের জন্য। এই জন্যই জাতির পিতা তাঁর আত্মজীবনীতে বলেছেন “রেনু খুব কষ্ট করতো কিন্তু কিছুই বলতো না নিজে কষ্ট করে আমার জন্য টাকা-পয়সা যোগাড় করে রাখতো যাতে আমার কষ্ট না হয়”।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে যখন প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয় তখন ঘৃণাভরে বেগম মুজিব তা প্রত্যাখান করেন। এই একটি সিদ্ধান্ত বাঙালীর মুক্তির সংগ্রামের আলোকিত পথ নির্দেশিকা।
এই নেপথ্যচারিণি, সাহসিনী, আদর্শবাদী মহীয়সী নারী হলেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।

দিবসটি উপলক্ষে আজ কুমিল্লা উত্তরজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর প্রধান কার্যালয়ে(বাগুর) অফিসে
আর্তমানবতার সেবায় করোনা কালের সাহসী সম্মুখ যোদ্ধা,স্বেচ্ছাসেবকলীগ ১০১ টিমের প্রধান সমন্বয়ক,
কুমিল্লা উত্তরজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব লিটন সরকার উদ্যেগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাএলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ ১০১ টিমের নেতৃবৃন্দ সহ বিপুলসংখ্যক নেতৃবৃন্দ।