ইবি’র শাপলা ফোরাম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে ভিসি কে বিদায়ী সংবর্ধণা

আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইবি প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ১২ তম ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেন ডঃ মোঃ হারুন-অর-রাশিদ আসকারীকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও অবকাঠামো উন্নয়নে সফল কিংবদন্তি ভিসি ডক্টর হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এক সময় ইসলামী ছাত্রশিবির ও মৌলবাদের ঘাঁটি খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে গড়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। ভেঙে দিয়েছেন ছাত্রশিবির ও মৌলবাদের ঘাঁটি। প্রথাগত ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে তার হাত ধরেই আধুনিকরণের পথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

সুদীর্ঘ ৪ বছর সুদক্ষতার সাথে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করে গত ২০শে আগষ্ট এই সফল কিংবদন্তির উপাচার্য হিসাবে প্রথম মেয়াদ শেষ করেন ড. হারুন-উর-রাশিদ আসকারী। সদ্য বিদায়ী এই উপাচার্য ও ট্রেজারার সেলিম তোহা স্ব-স্ব বিভাগে আজ ২২/০৮/২০২০ ইং তারিখে সকাল ১১ টায় যোগদান করেন। দুপুর ১২ টায় আইন অনুষদের ডীন কক্ষে শতাধীক শিক্ষকের উপস্থিতে সম্বোর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহীনুর রহমান, অধ্যাপক ড. রুহুল কে এম সালেহ, অধ্যাপক ড. জাকারিয়ার রহমান, অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. মেহের আলী, ড. ইয়াসমীন আরা সাথী, ড. মোস্তফা জামাল হ্যাপি, জনাব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। এই সম্বোর্ধনা অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান।

ড. হারুন-উর-রাশিদ আসকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। ইংরেজী বিভাগের তিনবারের সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সব ক্ষেত্রেই দায়িত্ব পালনে তিনি সফল মহানায়ক। পরিবহন নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে দেখিয়েছেন অকৃত্রিম সাফল্য। ১টি ডাবল ডেকার সহ ক্রয় করেছেন ১৫ টি নতুন গাড়ি। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে করেছে আরো গতিশীল। এছাড়াও শিক্ষার্থীদেরকে সুবিধার্তে আরো তিনটি ডবল ডেকার গাড়ি ক্রয়ের অর্থ বরাদ্দ হয়েছে ইতিমধ্যে। আবাসন সংকট ইবিতে ৮৫% শিক্ষার্থীকে আবাসন সুবিধা দিতে মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তিনি।

বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১ এবং ভিশন ২০৪১ বস্তবায়নের একটি সহায়ক ক্ষেত্র হিসেবে প্রফেসর আশকারীর গৃহিত প্রথম মেগা প্রকল্প আগামী ২০২২ইং সালের মধ্য বাস্তবায়ন হলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি পূর্ণাঙ্গ আবাসিক এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।