1. admanu3@gmail.com : admanu :
  2. arnasir81@gmail.com : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক : আব্দুর রহমান নাসির - বিশেষ প্রতিবেদক
  3. nrad2007@gmail.com : এডমিন পেনেল : এডমিন পেনেল
  4. kawsarkayes@gmail.com : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক : মোঃ আবু কাউসার - বিশেষ প্রতিবেদক
  5. ad@gil.com : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক : মোহাম্মদ আবু দারদা সহ-সম্পাদক
  6. mrahman192618@gmail.com : মশিউর রহমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় : মশিউর রহমান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  7. rafiqpress07@gmail.com : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম : সম্পাদক ও প্রকাশক - এম.রফিকুল ইসলাম
  8. asmarimi85@gmail.com : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক : আসমা আক্তার রিমি সহ-সম্পাদক
ইলিশের প্রজনন মৌসুম পাল্টালেও পাল্টেনি শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময় - দৈনিক প্রথম সংবাদ
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন

ইলিশের প্রজনন মৌসুম পাল্টালেও পাল্টেনি শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময়

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ০ Time View

মোঃ হাইরাজ।।

ইলিশ প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে আজ মধ্যরাত থেকে (১৩ অক্টোবর) থেকে ৪ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত ২২ দিন প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। জেলেদের মা ইলিশ শিকারে এই নিষেধাজ্ঞা। প্রজনন মৌসুম নিয়ে অভিজ্ঞ জেলে ও মৎস্য বিভাগের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।
জেলেদের অভিমত বর্তমান সময় ঠিক রেখে প্রজনন মৌসুম আরো ১০-১৫ দিন এগিয়ে আনলে ইলিশের প্রজনন সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পেত। এ কারণে অভিজ্ঞ জেলেদের অভিমত প্রজনন মৌসুম পাল্টে গেছে। কিন্তু সরকারে নিষেধাজ্ঞার সময় পাল্টায়নি।
মা ইলিশ প্রজননের উদ্দেশ্যে স্বাদুপানি ও স্রোতের উজানে উপকুলের নদ-নদীতে উঠে আসে এবং ডিম ছাড়ে। মুক্ত ভাসমান ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে। অপ্রাপ্তবয়স্ক মাছ (জাটকা) নদীর ভাটিতে নেমে সমুদ্রে বড় হয়। প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রজননক্ষম হয়ে জীবনচক্র পূর্ণ করার জন্য আবার নদীতে ফিরে আসে। ইলিশ উচ্চ-উৎপাদনশীল। বড় আকারের একটি ইলিশ ২০ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে। ইলিশ সারা বছর ডিম পাড়লেও সবচেয়ে কম পাড়ে ফেব্রুয়ারী-মার্চে ও সবচেয়ে বেশি সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে। কিন্তু সেপ্টম্বর মাসে সাগরে প্রচুর মা ইলিশ ধরা পড়ছে। আর বর্তমানে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে জাটকা ইলিশ।
বিষেশজ্ঞদের মতে প্রজনন ঋতু নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্ত্রী মাছের জিএসআই পরিমাপ পদ্ধতি। জিএসআই হলো মাছের ডিমের ওজন ও দেহের ওজনের অনুপাতের শতকরা হার। সাধারণত প্রজনন ঋতুতে ডিমের আকার বড় হতে থাকে বলে জিএসআই বাড়তে থাকে এবং ভরা প্রজনন মৌসুমে গিয়ে তা সর্বোচ্চ হয়। প্রজনন ঋতুতে পূর্ণিমা ও অমাবস্যার সময়ে বিগত পাঁচ বছরের জিএসআইর পরিমাপ থেকে দেখা গেছে, বাংলাদেশে ইলিশ সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত প্রজনন করে। সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগে জিএসআই ১০-১১ থেকে বাড়তে বাড়তে অক্টোবরের মাঝামাঝি কিংবা শেষের দিকে এসে সর্বোচ্চ ১৫-১৭ পর্যন্ত পৌঁছায় এবং নভেম্বরে এসে তা হঠাৎ করে কমে যায়। ১৫-১৭ জিএসআই ইলিশের ভরা প্রজনন মৌসুম নির্দেশ করে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বছর প্রজনন মৌসুম শুরু হবে অক্টোবরের প্রথম দিকে। এজন্য শিকারে নিষেধাজ্ঞা হওয়া উচিত ছিলো অক্টোবর মাসের শুরু থেকে।
সরকারিভাবে চন্দ্র মাসের ভিত্তিতে প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে এ বছর আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদের পূর্ণিমার দিন আগামী রবিবার এবং এর আগে চার ও পরের ১৭ দিনসহ মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। সেই হিসেবে ইলিশের প্রজনন মৌসুম মঙ্গলবার মধ্যরাত (১৩ অক্টোবর) থেকে শুরু এবং ৪ নভেম্বর শেষ হবে।
অনেক অভিজ্ঞ জেলেদের মতে ইলিশ প্রজনন মৌসুম মুলত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু করে অক্টোম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এই সময়ে মা ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্য উপকুলের নদ-নদীতে আসে। কিন্তু পুরো সেপ্টেম্বর জুড়ে সাগড়ে মা ইলিশ ধরা পরেছে। ওই ইলিশগুলোই ডিম ছাড়ার জন্য স্বাধু পানির নদ-নদীতে প্রবেশ করার উপযুক্ত সময় ছিল সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। কিন্তু সরকার প্রজনন মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এসে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
পায়রা নদীতে ইলিশ মাছ শিকারী জেলে রহমান গাজী, আলম তালুকদার,ছত্তার, জলিল ও জামাল বলেন, গত ১৫ দিন পূর্বে থেকে নদীতে প্রচুর মা ইলিশ ধরা পরেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে নদীতে জাটকা ইলিশ ধরা পরেছে। বর্তমানে প্রজনন মৌসুম হলেও প্রজননক্ষম তেমন বড় ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পরছে না। তারা আরো বলেন, ধারনা করা হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রজননের উপযুক্ত সময় ছিল। তারা আরো বলেন, মা ইলিশের প্রজনন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বর্তমান সময় ঠিক রেখে প্রজনন মৌসুম আরো ১০-১৫ দিন এগিয়ে আনলে আরো ভালো হতো।
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শামীম রেজা বলেন, ইলিশ সারা বছরই ডিম ছাড়ে। আশ্বিনের বড় পুর্ণিমা ও আমবশ্যায় ইলিশ ৫০-৬০% ডিম ছাড়ে।
তাই উপযুক্ত সময়েই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন সরকার।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউট চাঁদপুর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ইলিশ গবেষক ড. মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, আশ্বিন মাসের বড় পুর্ণিমায় মা ইলিশ সবচেয়ে বেশী ও পরিপক্ক ডিম ছাড়ে। ওই বড় আমবশ্যার দিন পরেছে ১৮ অক্টোবর। আবার এই মাসের পুর্ণিমায় বেশী ও পরিপক্ক ডিম ছাড়ে। ওই পুর্ণিমা দিন পরেছে ২ নভেম্বর। বড় আমবশ্যা ও পুর্ণিমার তারিখ ঠিক রেখে সরকার ১৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশ ডিম ছাড়ার সময় নির্ধারণ করেছে। সেই হিসেবে ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ।
তিনি জেলের অভিমতকে কিছুটা স্বীকার করে বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে মা ইলিশ পরিমানে কম ডিম ছাড়ে তাছাড়া এর আগে যে মা ইলিশ গুলো জেলেদের জালে ধরা পরেছে সেগুলো মা মাছের ডিম অপরিপক্ব ছিল। কিন্তু অক্টোবর মাসে বেশী ডিম ছাড়ে। এবং এটাই প্রকৃত সময়। #

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category