ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামীলীগের জাতীয় শোক দিবস ও গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদ সভা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ

১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদ ও আলোচনা সভা ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামীলীগ ও ৩৯নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে নগরীর রেশমী ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের মা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদিকা শারমিন ফারুক সুলতানার সভাপতিত্বে ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা কামরুন নাহার বেবীর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দীন। প্রধান বক্তা ছিলেন ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগের আহŸায়ক হারুন-অর-রশিদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব জিয়াউল হক সুমন। সংরক্ষিত ও সাবেক মহিলা কাউন্সিলর নীলু নাগ। সাবেক কাউন্সিলর হাজী আসলাম। ৩৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুলতান নাছির উদ্দিন। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন কবি। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ সভা শুরু হয়। উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন। ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা রুমানা আক্তার রুমা। যুগ্ম-সম্পাদিকা বেগম খাইরুন্নেছা, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক নীলুফা ইয়াসমিন। সাংগঠনিক সম্পাদক কাবুননেছা। ৪১নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা স্বপ্না বেগম। ইপিজেড থানা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নাসিমা বেগম, ৩৯নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাছিমা আক্তার। ৮নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা সোনিয়া ইদ্রিস। এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন শাহিদা বেগম, গীতা সরকার, মাহমুদা জামান নিশি, ফাতেমা নাসরিন কাকন, সোমা বনিক, রূমা আক্তার প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসিনা মহিউদ্দীন বলেন, শোকাবহ এ আগষ্ট মাসে আমরা বাঙ্গালী জাতির স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে হারিয়েছি। ঠিক একই আগষ্ট মাসে ২১ আগষ্ট আওয়ামীলীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল ষড়যন্ত্রকারীরা। তারা এ গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে চিরতরে মুছে দিতে চেয়েছিল। ১৫ আগষ্ট ও ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা ষড়যন্ত্রকারীদের একই সূত্রে গাঁথা নীল নকশা ছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীদের সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি। জাতি এ সকল ষড়যন্ত্রকারীদের কখনো ক্ষমা করবে না। তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জাতি তার কলঙ্কময় অধ্যায় থেকে রক্ষা পাবে।