ভোলায় সৎ ভাইকে মারধর, ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ

। এম, সিরাজুল ইসলাম ভোলা জেলা প্রতিনিধি।

ভোলা সদর উপজেলায় মা না থাকায় সৎভাইয়ের নেতৃত্বে একটি পরিবারের সকল সদস্যদের কে মারধর করে ঘর থেকে বের করে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া শান্তিরহাট ৭ নং ওয়ার্ডের সেকমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে,
অনুসন্ধানে জানা যায়, ভোলা সদর উপজেলা চরসামাইয়া শান্তিরহাট ৭ নং ওয়ার্ডের সেকমা গ্রামের শাহে আলমের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন, কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মা নেই বাবা পঙ্গু , তাই আমার সৎ ভাই ও আমার সৎ ভগ্নিপতি মিলে আমাকে ও আমার ছোট ছোট ভাইবোনদেরকে পিটিয়ে ঘর থেকে বের করে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেয়। শাহে আলমের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন, আরো জানায়, আমার মা রহিমা বেগম দীর্ঘ পাঁচ বছর আগে মারা যান, আমার বাবা পঙ্গু অসহায় তাই আমার সৎ ভাইয়েরা আমার পঙ্গু বাবার কোন কথা শোনে না, আমার সৎ ভাই ও আমার সৎ ভগ্নিপতি প্রায় সময়ই আমার ছোট ছোট ভাই বোনদের কে মারধোর করতো প্রতিবাদ করলে আমার গলা চেপে ধরে এবং বলে তোদেরকে আমরা খাওয়াই আমরা পড়াই তোদের বিচার আমরাই করব। এলাকাবাসী জানায়, শাহে আলম পঙ্গু অসহায় মানুষ, শাহে আলমের ছেলে মোহাম্মদ কবির, মোহাম্মদ নিরব, মোহাম্মদ হাসান, ও তার মেয়ের,জামাই মোহাম্মদ হারুন , শাহে আলম এর কথা মত চলে না, আর চলারও তো কোন উপায় নেই, কারন শাহে আলমের তো এখন আর আগের মত ক্ষমতা নেই, মোহাম্মদ কবিব, মোঃ নিরব, মোহাম্মদ হাসান, ও মেয়ের জামাই মোহাম্মদ হারুন যেভাবে বলে সেভাবে চলতে হয় বাধ্যতামূলক, এই কিছুদিন আগে তার বাবাকে জোর করে ভোলায় দলিলের অফিসে নিয়ে কিছু জমি তাদের নামে করিয়ে নেয়। আমরা এলাকাবাসী এখন আর, শাহে আলম এর, দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানদের নির্যাতন সহ্য করতে পারিনা, শাহে আলমের প্রথম স্ত্রীর সন্তান, মোহাম্মদ হোসেন , মোহাম্মদ রীদয়, সোনিয়া বেগম, ও , ৪ বছরের কোলের শিশু তানিয়াকেও মারধর ও না খাইয়ে রাখত। আমরা যদি কিছু বলি তাহলে শাহে আলমের দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলেরা শান্তির হাট বাজারে এসে আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতো। এই গালমন্দের ভয়ে আমরা কেউ ওদের বিষয়ে কথা বলি না। আমরা এলাকাবাসী, শাহে আলম এর প্রথম স্ত্রীর, সন্তানদের সঠিক বিচার করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।