আশুলিয়ায় ফার্মেসীতে ভুল সিজারে মা ও শিশু মৃত্যুশয্যায়

(রিপন মিয়া স্টাফ রিপোর্টার)

আশুলিয়ায় পল্লিবিদুৎ ডেন্ডাবর মধ্যপাড়া এলাকার এডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম এর মার্কেটে দিবা রাত্রী ফার্মেসিতে ভুয়া ডাক্তার রিক্ততা রায় ভুল সিজার করায় পরে নবজাতক শিশু ও তার মাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নারী-শিশুতে নেওয়া হয়।

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে ফার্মেসি নামক কসাইখানা জিম্বি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ । আশুলিয়া একটি শিল্প অধ্যুষিত শ্রমিক অঞ্চল হওয়ায়। এখানে সাধারন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের বসবাস একটু বেশি। তাদের কে কেন্দ্র করে আশুলিয়ার আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে ফার্মেসি। এসকল ফার্মেসি গুলোতে বেশির ভাগই নেই কোন কাগজপত্র । ফার্মেসি যারা চালায় তাদের নেই তেমন কোনো অভিজ্ঞতা বা শিক্ষাগত যোগ্যতা ।

কোনরকম লেখাপড়া করে দিনাজপুর থেকে আশুলিয়ায় আসা স্বামী-স্ত্রী। ফার্মেসিতে জব করতেন স্বামী আর স্ত্রী জব করতেন মেডিকেলে কোন না কোন ভাবে তিন বা ছয় মাসের এল এম এফ কোর্স করে দুই জনেই নামের আগে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে সেবার নামে কসাইখানা তৈরি করে চালিয়ে যাচ্ছে অপচিকিৎসা নামক রমরমা বাণিজ্য।

বিভিন্ন সময় প্রশাসন বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা জেল-জরিমানা করলেও থামছেন না এইসকল প্রতারণার ব্যবসা ।আর প্রতারণার বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন না সাধারণ মানুষ । প্রেসক্রিপশন ছাড়াই দিচ্ছেন ঔষধ, যেখানে ১০ টাকার ঔষধ খেয়ে সুস্থ হবে রোগী সেখানে তাকে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে প্রায় ৫০০ টাকার ঔষধ।
অল্প শিক্ষিত এলএমএফ কোর্স দাড়ি ডাক্তারা দিচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। এতে করে প্রতিনিয়ত বাড়ছে হৃদরোগ সহ নানা প্রকার সমস্যা ।ভুল চিকিৎসার কারণে অনেক সময় অকালে ঝড়ে যাচ্ছে অনেকের জীবন আইন থাকলে ও সঠিক ভাবে হচ্ছে না প্রয়োগ। তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের ব্যবস্থা করা অতি জরুরী বলে মন্তব্য করেন এলাকাবাসী

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাভার উপজেলা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ সায়মুল হুদা সাভার উপজেলা ফ্যমেলী প্লানিং অফিসার (ইনচার্জ) বলেন ২০১০ এর খসড়া আইনে স্পষ্ট উল্লেখ থাকে যে বিএমডিসি নাম্বার ব্যতীত কোন ব্যক্তি নামের পূর্বে ডাক্তার উপাধি ব্যবহার করতে পারবে না ।যদি কোন ব্যক্তি বিএমডিসি নাম্বার ব্যতীত তাহার নামের পূর্বে ডাক্তার উপাধি ব্যবহার করে তাহলে অতি দ্রুত ওই ফার্মেসীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।